ফের কেতুগ্রামে জনসভা করতে এলে প্যান্ট খুলে বাড়ি পাঠিয়ে দেব, দিলীপকে হুঁশিয়ারি অনুব্রতর

304

বর্ধমান, ২৫ ডিসেম্বরঃ বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, বাংলায় চড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ বাড়ছে। পালটা চলছে শাসক ও বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বের একে অপরকে বাক্যবাণে বিদ্ধ করার খেলা। গত ২২ ডিসেম্বর পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের কাঁদরার জনসভা থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে হুংকার ছেড়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। একই এলাকার মাঠে শুক্রবার পালটা জনসভার আয়োজন করে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই সভার প্রধান বক্তা ছিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বিজেপি নেতা ও কর্মীদের এদিন দিলীপ ঘোষকে হুঁশিয়ারি দিয়ে অনুব্রত বলেন, এরপর জনসভা করতে এলে প্যান্ট, খুলে বাড়ি পাঠিয়ে দেব।

শুধু এই হুংকার ছেড়েই খান্ত হননি অনুব্রত। তিনি আরও বলেন, নরেন্দ্র মোদী সভা করলে ২ লক্ষ লোক নিয়ে পালটা ক্ষমতা আমার আছে। একই সঙ্গে অনুব্রতর দাবি, মানুষ ছাড়া আর কাউকেই তিনি ভয় পান না। সৌগত রায়, ববি হাকিমের পর অনুব্রত মণ্ডলও এদিন শুভেন্দু অধিকারীকে বেইমান ও গদ্দার বলে কটাক্ষ করেন। সভায় উপস্থিত কর্মী ও সমর্থকদের অনুব্রত বলেন, রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় না থাকলে উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে কোনও উন্নয়নে হবে না। ওঁরা শুধু ধর্মের ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করবে।

- Advertisement -

অনুব্রত মণ্ডলের এই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। পালটা প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, অনুব্রত বাবুকে বলা হয়েছে জ্যোতিষী হয়ে, উনি যেন হাওড়ায় জ্যোতিষ শাস্ত্রটা চর্চা করেন। অনুব্রত বাবুকে জ্যোতিষী কাজটাই আগামী দিনে করতে হবে। আর কিছুদিন পর অনুব্রত বাবু খোল করতাল নিয়ে বের হবেন। সেটা আমরা দেখতে পাব। খোল করতল বাজাতে বাজাতে উনি বলবে, আমায় একটু জায়গা দাও মা, তোমার মন্দিরে বসি। বিজেপি সাংসদ আরও বলেন, অনুব্রত মণ্ডলই আবার কোনও দিন না বলে বসে আমি বিজেপিতে যোগদান করব।