এবার আপেল চাষ হবে মেমারির স্কুলে

205

বর্ধমান: গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ এবং বাংলাদেশের সিলেটের পর এবার এরাজ্যের শস্যগোলা নামে পরিচিত পূর্ব বর্ধমানের মাটিতে শুরু হল বানিজ্যিকভাবে আপেল চাষ। আর এই আপেল চাষকে সামনে রেখে বিশেষ নজর কাড়তে চলেছে মেমারির ক্রিস্টাল মডেল স্কুল। স্কুলের সুবিশাল জমিতে এই আপেল চাষ শুরু হল মঙ্গলবার থেকে। ইতিমধ্যে রোপন করা হয়েছে ‘এইচ আর এম এন ৯৯’ প্রজাতির আপেলের চারা। যা স্বাদে, গুনে টেক্কা দেবে হিমাচল প্রদেশকে।

ধান, আলু ও সবজি উৎপাদনের পর এবার শস্যগোলার মাটিতে ফলতে চলেছে আপেল। মঙ্গলবার স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম দিবসকে সামনে রেখে মেমারির ক্রিস্টাল মডেল স্কুল কর্তৃপক্ষ নিজেদের জমিতে বানিজ্যিক ভাবে আপেল চাষ শুরু করল। ঘটনায় ইতিমধ্যে মেমারির কৃষকমহলে ব্যপক সাড়া পড়েছে। জানা গিয়েছে, ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বশাসিত সংস্থা ‘ন্যাশনাল ইনভেশন ফাউন্ডেশন ইন্ডিয়া’-র সহযোগিতায় এই আপেল চাষের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, আপেল চাষে নজরদারি চালাতে ‘ইকো ক্লাবের’ ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যে।

- Advertisement -

বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ অরুন কান্তি নন্দী জানিয়েছেন, ন্যাশনাল ইনভেশন ফাউন্ডেশন ইন্ডিয়ার সহযোগিতায় সমগ্র দেশের মধ্যে প্রথম মেমারির ক্রিস্টাল মডেল স্কুল নিজেদের জমিতে আপেল চাষ শুরু করল। যার মূল উদ্দেশ্য মেমারি সহ বাংলার চাষিদের আপেল চাষে উদ্বুদ্ধ করা। তার কথায়, চারা গাছ রোপণের পর উৎপাদন শুরু হতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। প্রথম দফায় প্রায় ৫০- ৬০ কেজি আপেল উৎপাদিত হবে গাছপিছু। পরবর্তী দশ বছরে তা বেড়ে  ৮০ থেকে ১০০ কেজি হবে।

রাজ্যের কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার জানিয়েছেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে। যা কৃষকদের বিকল্প চাষে দিশা দেখাবে।