অনলাইন শপিংয়ের বিরোধীতায় প্রচারে নামছেন ব্যবসায়ীরা

228

রায়গঞ্জ: উৎসবের মরশুমে অনলাইনে নয়, কেনাকাটা করুন স্থানীয় বাজার থেকে। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই আবেদন জানালেন রায়গঞ্জ মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অতনু বন্ধু লাহিড়ী বলেন, ৫০ টাকা লাভের জন্য অনেকেই অনলাইনে জিনিসপত্র কিনছেন। কিন্ত স্থানীয় বাজার থেকে ৫০ টাকা বেশি দিয়ে সেই জিনিস কিনলে শুধুমাত্র ওই ব্যবসায়ী নয়, দোকানে যে পাঁচজন কর্মচারী কাজ করেন তাদের পরিবার চলবে।

তিনি জানান, দীর্ঘ লকডাউনে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা খুব বিপদে পড়েছেন। পুজোর মরশুমে সামান্য লাভের আশায় তারা ব্যাংক অথবা বেসরকারি সংস্থা থেকে লোন নিয়ে দোকানের মালপত্র তুলেছেন। কিন্ত অধিকাংশ দোকানে ব্যবসাবাণিজ্য বলে কিছুই নেই। দোকানদাররা জানান, মাঝবয়সী ক্রেতাদের পেলেও যুব সমাজকে তারা পাচ্ছেন না। অনলাইন শপিং বন্ধের আবেদন জানাতে সংগঠনের তরফে পাড়ায় পাড়ায় মাইকিং, লিফলেট বিলি এবং শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বোর্ড লাগাবে মার্চেন্টস এ্যাসোসিয়েশন।
এদিকে পুজোর মরশুম শুরু হলেও রায়গঞ্জ শহরের অধিকাংশ দোকানে ক্রেতাদের দেখা মিলছে না। তাই আশঙ্কার চোরা স্রোত বইতে শুরু করেছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে। রায়গঞ্জের একটি রেডিমেড কাপড়ের দোকানের কর্মচারী বাসুদেব সরকার বলেন, ‘দীর্ঘ ৪ বছর ধরে দোকানে কাজ করছি। দিন দিন বিক্রি কমে যাচ্ছে। পুজোর মরশুমে কেনাকাটা খুব খারাপ এবার। জানিনা এরপর কাজটা থাকবে কিনা।’ মুদি ব্যবসায়ী রাজু তালুকদারের দাবি, শুধু পোশাক নয়, সাবান, তেল, বিস্কুট, চাল পর্যন্ত অনলাইনে কিনছে সাধারণ মানুষ। এমন চলতে থাকলে ব্যবসা লাটে উঠবে।

- Advertisement -

যদিও নতুন প্রজন্মের ক্রেতারা অনলাইনে বাজার করে খুব খুশি।তাদের দাবি, অনলাইনে বিভিন্ন জিনিসের অর্ডার দিলে বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছে, পাশাপাশি দামও কম পড়ে।