গোখাদ্য তৈরি করে স্বনির্ভরতার দিশা দেখাচ্ছেন পরিযায়ী শ্রমিক

95

চাকুলিয়া: করোনা আবহে কাজ হারিয়ে ফিরে আসতে হয়েছিল। কিন্তু তাই যেন শাপে বর হল। গবাদি পশুর খাদ্য তৈরির কারখানা খুলে চাকুলিয়া এলাকায় রীতিমতো তাক লাগিয়েছেন পরিযায়ী শ্রমিক রতনলাল সিংহ। তিনি এর আগে পঞ্জাবে শ্রমিকের কাজ করতেন। লকডাউনে বাড়ি ফিরে পরিবারের অভাবের কথা ভেবেই গো খাদ্য তৈরির কারখানা খুলে ফেলেন। রতনলালের কারখানা বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে পরিযায়ী শ্রমিকদের। এমনককী তার কারখানায় অন্য কাজ হারানো শ্রমিকরাও এখন কাজ করছেন। পাশাপাশি তাঁদের কাজ দেখে এলাকার সাধারণ মানুষও যথেষ্ট উৎসাহ পেয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লকডাউনের পর থেকেই পরিবারটিকে খুবই শোচনীয় অবস্থায় দিন কাটাতে হয়েছে। রতনলাল জানান, বিভিন্ন গ্রাম থেকে খড় কিনে এনে মেশিন কেটে গবাদি পশুর খাবার তৈরি করছেন তিনি। পরে চাহিদা অনুযায়ী বিহার, দিল্লি প্রভৃতি রাজ্যে বিক্রি করছেন। তবে রতন একা নয়, তাঁর কারখানায় এলাকার আরও ২০ জন শ্রমিক কাজ করছেন বলেও জানান রতনলাল।

- Advertisement -

চাকুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বিবি তাজকেরা খাতুন জানান, রতন লাল সিংহ এলাকার মানুষের কাছে এখন এক অনুপ্রেরণা। দিল্লি পঞ্জাব না গিয়ে এলাকায় কাজ করে নিজের পায়ে দাঁড়ানো যেতে পারে। কেউ যদি কাজ করতে এই ভাবে এগিয়ে আসে তাঁদের সহযোগিতা করতে আমরাও বদ্ধপরিকর।