আর্থিক প্রতিকূলতাকে হারিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় মিলি

625

দীপঙ্কর মিত্র, রায়গঞ্জ: যোগা নৃত্যকে হাতিয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় রায়গঞ্জের সুরেন্দ্র নাথ মহাবিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের ছাত্রী মিলি সরকার। ইতিমধ্যেই খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে সে, কুড়িয়েছে একাধিক নেটিজেনের প্রশংসাও। পরিবারে রয়েছে যথেষ্ট অভাব, কিন্ত সেই প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে আগামী দিনে জিমন্যাস্টিকসের কলাকে রপ্ত করে প্রতিষ্ঠিত নৃত্যশিল্পী হতে চায় সদ্য জনপ্রিয় প্রাপ্ত মিলি।

রায়গঞ্জের আব্দুল ঘাটার বাসিন্দা মিলি। বাবা নকুল সরকার পেশায় গাড়ি চালক। নিম্নবিত্ত পরিবারে এই ধরনের শখ পূরণ যে কতটা অসম্ভব তা অজানা ছিল না তার। তবে, তা জানা সত্ত্বেও পিছু হটেনি মিলি। বাড়িতে যোগ ব্যায়ামের সঙ্গে নৃত্য চর্চা করার মতো পরিসর জায়গা না থাকায় কুলিক নদীর পাড়ে গিয়ে নিয়মিত চর্চা করে চলেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিলির নাচ ভাইরাল হওয়ায় আয় হত অনেক টাকা। চিনা অ্যাপ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেই আয় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলে শিলিগুড়ির একটি সংস্থায় প্রশিক্ষন বন্ধ হয়ে গেছে। পরবর্তীতে বাড়িতে কেউ না থাকলে মিলির যোগ ব্যায়াম সহ নৃত্য ভিডিওতে দিদাই সাহায্য করতেন। ২০১৮ সালে মহারাস্ট্রে সর্বভারতীয় যোগা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে চ্যাম্পিয়ান হয়ে স্বর্ন পাদক লাভ করে সে।

- Advertisement -

এবিষয়ে মিলি বলেন , ‘জিমন্যাষ্টিক ভাল ভাবে শিখলে কোন সমস্যাই সমস্যা নয়। শাড়ি পড়েও ব্যায়াম,জিমনাস্টিক করা যায়। জিমনাস্টিক ও ডান্সকে সংযুক্ত করে আগামীতে নতুন কিছু করার ইচ্ছে রয়েছে।‘ মা বীণাদেবী বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে মেয়ে এবিষয়ে প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। তার ছবি দেশ, বিদেশে ছড়িয়ে পড়ায় খুব ভালো লাগছে। তাই কষ্ট হলেও মেয়ের স্বপ্নপূরণের চেষ্টা করব আমরা।‘ মিলির দিদা জানায়, ‘নাতনির সাফল্যে খুব ভালো লাগছে। সবাই যদি এগ্রিয়ে আসে আগামী দিনে আরও সাফল্য পাবে।‘