সেনায় অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধির প্রস্তাব কেন্দ্রের

568

নিউজ ডেস্ক: মেয়াদ ফুরোনোর আগে সেনা আধিকারিকদের অবসরগ্রহণের বয়সসীমা বৃদ্ধির প্রস্তাব পেশ করল কেন্দ্রীয় সরকারের সামরিক বিষয়ক মন্ত্রক। একই সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মীদের পেনশন ছাঁটাই করারও প্রস্তাব দেওয়া হয়। আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সংশোধিত অবসর ও পেনশন নীতির খসড়া জমা দেবে ডিএমএ। তবে তার আগে খসড়া খতিয়ে্ দেখবেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত।

সূত্রের খবর, সেনা কর্মীদের অবসর ও পেনশন সংক্রান্ত একগুচ্ছ নতুন প্রস্তাব সম্প্রতি পেশ করেছে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ-এর নেতৃত্বাধীন ডিপার্টমেন্ট অফ মিলিটারি অ্যাফেয়ার্স (ডিএমএ)। এই প্রস্তাবে সেনাবাহিনী থেকে আধিকারিকদের অবসর নেওয়ার বয়স বাড়িয়ে এক থেকে তিন বছর করা হয়েছে। সেই সঙ্গে চাকরির এক্সটেনশন ১৭ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, সামরিক আধিকারিকদের আগাম অবসরের পরে পেনশনে কাটছাঁটের প্রস্তাব দিয়েছে ডিএমএ।

- Advertisement -

প্রস্তাব অনুযায়ী এবার থেকে কর্নেল পদাধিকারী ৫৭ বছর বয়স পর্যন্ত কর্মরত থাকবেন, ব্রিগেডিয়ার পদাধিকারী ৫৮ বছর বয়েস পর্যন্ত কর্মরত থাকবেন এবং মেজর জেনারেল পদাধিকারী ৫৯ বছর বয়স পর্যন্ত চাকরিতে বহাল থাকবেন। তবে লেফটেন্যান্ট জেনারেলদের ক্ষেত্রে অবসর নেওয়ার বয়স আগের মতোই ৬০ বছর পর্যন্ত নির্দিষ্ট করা হয়েছে প্রস্তাবে।

আগাম অবসর গ্রহণকারীদের পেনশনে ২৫% থেকে ৫০% ছাঁটাইয়ের প্রস্তাবও দিয়েছে ডিএমএ। তবে এ ক্ষেত্রে বিবেচ্য হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক বা কর্মীর চাকরির মেয়াদকাল। প্রস্তাব কেন্দ্র করে অবশ্য ইতিমধ্যেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ২০-২৫ বছর কর্মরত থাকার পরে অবসর নিতে চাইলে আধিকারিকরা পেনশনের ৫০% পাবেন। ২৬-৩০ বছর বহাল থেকে অবসর নিলে পেনশন মিলবে ৬০%। আর ৩১ থেকে ৩৫ বছর চাকরি করলে পেনশনের ৭৫% পাওয়া যাবে।

অন্যদিকে, সেনাবাহিনীর অবসর নীতি সংস্কারের প্রস্তাবগুলি নৌসেনা ও বায়ুসেনার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল ও নার্সিং বিভাগকে।