বিশেষ ভাবে সক্ষম ভিক্ষুকের পাশে দাঁড়াল বিধায়ক মিতালী রায়

711

গয়েরকাটা: প্রতিদিন প্রায় ১৪ কিলোমিটার রাস্তা পেরিয়ে গয়েরকাটা থেকে বানারহাট যেতেন ভিক্ষা করতে। আবার একইভাবে তাকে ফিরতে হত। দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত কষ্টে ছিলেন গয়েরকাটার হিন্দুপাড়া চা বাগানের নিবাসী পাত্রাস খাড়িয়া। নেই ভোটার কার্ড, আধার কার্ড ও প্রতিবন্ধী শংসাপত্র। বঞ্চিত সমস্ত রকম সুযোগ-সুবিধা থেকে। বিষয়টি ধুপগুড়ির বিধায়ক মিতালী রায়ের কানে পৌঁছলে বানারহাটেই সেই প্রতিবন্ধি যুবকের সঙ্গে দেখা করে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তাঁর যাতায়াতের সুবিধার্থে একটি ট্রাই সাইকেলের ব্যবস্থা করে দিবেন। আজ গয়েরকাটায় এসে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলেন বিধায়ক।

পাশাপাশি বিধায়ক এদিন আশ্বাস দেন খুব দ্রুতই ওই যুবকের প্রতিবন্ধী শংসাপত্র থেকে শুরু করে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড এর ব্যবস্থা করা হবে। উল্লেখ্য, মিতাল রায় ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক। কিন্তু এই প্রতিবন্ধী যুবক যেই এলাকার বাসিন্দা সেটি মাদারিহাট বিধানসভা কেন্দ্রের হলেও শুধুমাত্র মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই এই বিশেষ ভাবে সক্ষম ভিক্ষুক যুবকের পাশে দাড়ালেন। এতে ওই যুবক অতন্ত খুশি ও আনন্দিত যে এখন তাঁর চলাচলের জন্য একটা পথ হল।

- Advertisement -

বিধায়কের এহেন মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকার প্রত্যেকেই। ট্রাই সাইকেল পেয়ে অত্যন্ত খুশি পাত্রাস। সে জানায়, এখন থেকে তাঁর আর কষ্ট করে ভিক্ষা করতে হবে না। অন্যান্য সমস্যা গুলিরও যাতে দ্রুত সমাধান হয় সেই দাবি জানিয়েছেন তিনি। মিতালি দেবী জানান, বানারহাটে এই যুবকের সাথে তাঁর দেখা হয়। তাঁর অবস্থা দেখে আমার খুব কষ্ট হয়। তাই ওর জন্য একটি ট্রাই সাইকেলের ব্যবস্থা করে দিলাম। ওর আধার কার্ড সহ অন্যান্য পরিচয় পত্র না থাকার কারণে সরকারী সুযোগ সুবিধাও পাচ্ছে না। তাই ওনার অন্যান্য সমস্যা গুলো সমাধান করার চেষ্টা চালাচ্ছি।