রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে মোবাইল টাওয়ার, বিতর্ক

66

রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে মোবাইলের টাওয়ার বসানোকে কেন্দ্র করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। কিভাবে একটা বেসরকারি সংস্থার মোবাইলের টাওয়ার হাসপাতাল চত্বরে বসানো হল। এর পেছনে কাদের স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে, সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাসপাতালের চিকিৎসক কর্মীদের একাংশ। অনেকেরই দাবি, হাসপাতাল চত্বরে এভাবে মোবাইল টাওয়ার বসানো যায় না। একটি হাসপাতালে টাওয়ার বসানোর ফলে অনেক রকম সমস্যাও হতে পারে। তবে, রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘদিন প্রভাবশালীদের মদতে দালালচক্র থেকে দুর্বৃত্তদের দাপাদাপি এবং প্রশাসনের আধিকারিকদের একাংশ তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই সব অনৈতিক নানা কাজকর্মকে প্রশ্রয় দিয়ে থাকে বলে অভিযোগ। খোদ মুখ্যমন্ত্রী কালিয়াগঞ্জে এসে এইসব দালালচক্র বন্ধ করার জন্য কড়া নির্দেশ দেওয়া সত্বেও এখনও কোনও কাজ হয়নি।

যদিও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই ধরনের কার্যকলাপ নিয়ে ক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল। তিনি বলেন, ‘কিভাবে হাসপাতাল চত্বরে বেসরকারি সংস্থার মোবাইলের টাওয়ার বসলো, এটা আমারও প্রশ্ন। রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারপার্সন সহ মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ এই টাওয়ার বসানোর কাজ করেছে যা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি। এরা সবাই বিজেপি তাই দিদির স্বপ্নের রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজকে কলুষিত করার চেষ্টা করছে।‘ বিজেপি রাজ্য নেতা বিশ্বজিৎ লাহিড়ী বলেন, ‘ভোটের ছয় মাস আগে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ, অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার, রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারপার্সন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল।‘

- Advertisement -

রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজের এক চিকিৎসক বলেন, ‘অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে কর্মী নিয়োগ সবেতেই দুর্নীতি করছে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ প্রিয়ঙ্কর রায় ও অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার অভীক মাইতি। এরা সবাই বিজেপি করে। আর এদের সঙ্গে রয়েছে প্রাক্তন ইটাহারের বিধায়ক তথা বিজেপির নেতা অমল আচার্য।‘ রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ প্রিয়ঙ্কর রায় বলেন, যা হয়েছে নিয়ম মেনে। জবাব দিতে হলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে দেব। অন্যদিকে, রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারপার্সন অমল আচার্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।