করোনা মোকাবিলায় সাহায্যের আশ্বাস, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

121

Online Desk: দেশের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে পশ্চিমবঙ্গেও। তার সঙ্গে অক্সিজেনের চাহিদাও বেড়ে চলেছে। প্রয়োজন আরও ভ্যাকসিনেরও। এই নিয়ে গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী লিখেছেন, করোনা মোকাবিলায় প্রথম থেকেই রাজ্যগুলিকে চিকিৎসা সরঞ্জাম, ভ্যাকসিন সহ নানা বিষয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্র।

হর্ষবর্ধন টুইট করেন, ‘আমার সোনার বাংলা। কেন্দ্র প্রত্যেকটি রাজ্যকে আর্থিক সাহায্যের পাশাপাশি চিকিৎসা ক্ষেত্রে সমস্ত দিক থেকেও সাহায্য করছে। করোনা মোকাবিলায় বাংলাকেও একইরকমভাবে সাহায্য করবেন মোদি সরকার।’

- Advertisement -

জানানো হয়, প্রতিশ্রুতি মতো কেন্দ্র প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের করোনা যোদ্ধা ও ৪৫ বছরের ওপর বয়সীদের বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেবে। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গকে এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ১৮ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪০ ডোজ টিকা পাঠানো হয়েছে। আরও ২ লক্ষ ডোজ পাঠানোর জন্য তৈরি। চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গকে ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে ১৮ লক্ষ ৩৮ হাজার এন-৯৫ মাস্ক এবং ৪ লক্ষ ৮৪ হাজার পিপিই কিট, ১ হাজার ২৪৫টি ভেন্টিলেটর এবং সাড়ে ৪৩ লক্ষ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট। এছাড়াও ৫টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরির ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র। যার মধ্যে ২টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি হয়ে গিয়েছে। বিনামূল্যে প্রায় ২ হাজার ৪০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার বরাদ্দ করা হয়েছে রাজ্যের জন্য। যার মধ্যে ৭০০ টি ২১ তারিখের মধ্যে পৌঁছে যাবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যে ৯৪ হাজার ৪০০ ভায়াল রেমডেসিভির বরাদ্দ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বুধবার তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংক্রমণ রুখতে গেলে বিনামূল্যে ভ্যাকসিনেশনে জোর দিতে হবে। তার জন্য ভ্যাকসিনের জোগান বাড়ানো প্রয়োজন। এর আগে সবাইকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়া নিয়ে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিকে, করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল রাজ্য সরকার।