মোদির ব্রিগেড সমাবেশে ‘ব্রাত্য’ টলি তারকারা

71

কলকাতা: সম্প্রতি কলকাতার একটি বিলাসবহুল হোটেলে ঢাকঢোল পিটিয়ে একের পর এক টলি তারকাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করেছিল বিজেপি। রাজনৈতিক মহল মনে করেছিল হয়তো আগামীদিন কঠিন ভোটযুদ্ধে এরা হবেন পদ্ম সেনাপতি। কিন্তু রবিবার ব্রিগেডের মূল মঞ্চে দেখা গেল না সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া যশ, শ্রাবন্তী, পায়েল থেকে শুরু করে রুদ্রনীল, রূপাঞ্জনাদের। এদিন এদের প্রত্যেকেই উপস্থিত থাকলেও তাঁদের জন্য বরাদ্দ করা হয় মূল মঞ্চের পাশে একটি ছোট্ট মঞ্চ।

এদিন সকালে শ্রাবন্তী বলেছিলেন, উত্তেজনায় সারারাত ঘুম হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক মঞ্চে থাকার কথা চিন্তা করলেই গায়ে কাঁটা দিচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি রাজনীতি করা লকেট চট্টোপাধ্যায়, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়রা ছাড়া অন্যরা কেউই মঞ্চের ধারপাশে ঘেঁষতে পারলেন না।

- Advertisement -

তৃণমূলের যেকোনও রাজনৈতিক কর্মসূচির সামনের সারিতে থাকেন তারকা মুখেরা, ২১ জুলাইয়ে মূল মঞ্চে থাকেন নাট্যকার, কবি, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীরা। কিন্তু রবিবারের পদ্ম শিবিরের তারকাদের কার্যত ব্রাত্য করে রাখা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠেছে, তাঁদের টিকিট ভাগ্যও কি অনিশ্চিত? বিজেপির প্রথম পর্বের প্রার্থী তালিকাকে যদি প্রাথমিক ট্রেন্ড হিসেবে ধরা য়ায়, তাহলে তা সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। অনেকে মনে করছেন, বিজেপির রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পেছনে থাকে আরএসএসের মস্তিষ্ক। ফলে আরএসএসের নিজস্ব লোক না হলে বিজেপির প্রথম সারিতে উঠে আসা যে কারও পক্ষেই কঠিন হয়। তাছাড়া তৃণমূল প্রার্থী তালিকায় তারকার ছড়াছড়ির পর য়েভাবে জেলায় জেলায় প্রার্থী নিয়ে বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে, তার ফলে তারকাদের রাজনৈতিক লড়াইয়ে সেনাপতি করার ভাবনা থেকে কিছুটা সরে এসেছে পদ্ম শিবির। এদিনের ব্রিগেড মঞ্চে তারই প্রতিফলন দেখা গেল।