হনুমার মাথায় কিইয়িরা, মেন্টর হবেন সামি

নয়াদিল্লি : করোনা অতিমারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁরা দুজনেই সামিল। কিন্তু ভিন্নভাবে। দুনিয়ার দুই প্রান্ত থেকে।

ইংল্যান্ডে ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে কাউন্টি খেলার মাঝেই সরাসরি করোনা যুদ্ধে নেমেছেন হনুমা বিহারী। আর ইংল্যান্ড রওনা হওয়ার আগে দিল্লির বাড়ি থেকেই করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছেন মহম্মদ সামি। আর এই লড়াইয়ে মাঝে দুই জনের মনের অন্দরেই ঢুকে রয়েছে সাদাম্পটনে ১৮ জুন থেকে শুরু হতে চলা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়ানশিপ। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে হনুমা-সামি দুজনেই নিজেদের লক্ষ্য স্থির করে ফেলেছেন। দীর্ঘসময় কোয়ারান্টিনের কারণে হনুমা টিম ইন্ডিয়ার প্রস্তুতির ঘাটতিকে তেমন পাত্তা দিতে রাজি নন। বরং তাঁর মতে, অভিজ্ঞতা ও ইচ্ছাশক্তি দিয়ে অসাধ্যসাধন সম্ভব। বিরাট কোহলির ভারত সেই লক্ষ্যপূরণ করেই ছাড়বে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে।

- Advertisement -

একদিকে হনুমা বাস্তবের মাটিতে পা রেখে সামনে তাকাতে চাইছেন। সেসময় টিম ইন্ডিয়ার অন্যতম সেরা পেসার সামি কিছুটা দার্শনিকের ভূমিকায়। সামির কথায়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশ কয়েক বছর কাটিয়ে ফেলার পর সবারই একটা দায়িত্ব থাকে। আমিও এই দায়িত্বটা নিতে চাই। তরুণদের সঙ্গে আমার ভাবনা, অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে চাই। ওদের মেন্টরের ভূমিকা পালন করতে চাই। সামির বয়স এখন ৩০। আরও কয়েক বছর তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবেন নিশ্চিতভাবেই। সেই সময়ে মধ্যে এই কাজটা মহম্মদ সিরাজ, প্রসিধ কৃষ্ণাদের জন্য করতে চান তিনি।

নিজের লক্ষ্য নিয়ে সামি যেখানে থামছেন, সেখান থেকেই মিশন ইংল্যান্ড নিয়ে ব্যাট ধরেছেন হনুমা। কাউন্টি ক্রিকেটে এখনও বড়ো রান অধরা তাঁর ব্যাটে। কিন্তু তার জন্য বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়ানশিপের ফাইনালের ভাবনা থেমে নেই হনুমার। তাঁর কথায়, ফাইনালের দিকে তাকিয়ে রয়েছি আমি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত একটা ম্যাচ হবে। আর ওদের চমকে দেব আমরা। ভারতীয় দলের প্রস্তুতির ঘাটতি নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, ইচ্ছাশক্তি দিয়ে কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা সম্ভব।