রেফারির ভুল, জিতেও চাপে মহমেডান

মহমেডান : ৩ (মার্কাস ১৯, ৭২, বুয়াম ৫৩) – টালিগঞ্জ ১ : (ক্রিস্টোফার ৮২পে)

কলকাতা : ডুরান্ড ফাইনালে হার ভুলে সহজ জয় এসেছে টালিগঞ্জ অগ্রগামীর বিরুদ্ধে। দল পৌঁছে গিয়েছে কলকাতা লিগের নকআউটে।

- Advertisement -

তবুও বুধবার ম্যাচ শেষে উদ্বেগ মহমেডান স্পোর্টিংয়ের কোচ-কর্তাদের মধ্যে। কারণ রেফারির ভুল সিদ্ধান্তে লাল কার্ড দেখেছেন দলের একমাত্র বিদেশি ডিফেন্ডার শাহির শাহীন। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে ভবানীপুরের বিরুদ্ধে তাঁকে ছাড়াই নামতে হবে। শংকরলাল চক্রবর্তীর দলের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্যায়ে হারের ক্ষত এখনও টাটকা। নকআউটের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শাহীনকে ছাড়া লড়াইটা সহজ হবে না, জানে সাদা-কালো শিবির।

ঘটনার সূত্রপাত ৮০ মিনিট নাগাদ। ততক্ষণে ৩-০ গোলে এগিয়ে মহমেডান। রাইট ব্যাক লালরাম চুল্লোভার ব্যাকপাস ধরে বক্সে ঢুকে পড়েন টালিগঞ্জের ক্রিস্টোফার। গোলরক্ষক মিঠুন সামন্তকে কাটিয়ে বলটা ঠিক জায়গায় রাখতে ভুল করেননি তিনি। কিন্তু দ্রুততার সঙ্গে বলটি ক্লিয়ার করেন শাহীন। গোলের সামনে হ্যান্ডবল করার অভিযোগে তাঁকে সরাসরি লালকার্ড দেখান রেফারি তন্ময় ধর। যদিও রিপ্লে থেকে স্পষ্ট, বল শাহীনের হাতেই লাগেনি।

রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ মহমেডান শিবির। ফুটবল সচিব দীপেন্দু বিশ্বাসের কথায়, লিগে আগেও আমরা রেফারির ভুল সিদ্ধান্তের জন্য সমস্যায় পড়েছি। আজও হ্যান্ডবল নিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। আমরা ভিডিও সহ লিখিতভাবে আইএফএর কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। এর আগে আমরা আইএসএলে দেখেছি রেফারির ভুল সিদ্ধান্তে পাওয়া লাল কার্ড বাতিল করা হয়েছে। আশা করব শাহীন পরের ম্যাচে খেলার অনুমতি পাবে।

এদিন অবশ্য দলের সেরা তারকা নিকোলা স্টোজানোভিচকে প্রথম একাদশে রাখেননি সাদা-কালো কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। তবে অধিনায়কের অভাব বুঝতে দিলেন না মার্কাস জোসেফ। ১৯ মিনিটে টালিগঞ্জ ডিফেন্সকে বোকা বানিয়ে ১-০ করলেন ডুরান্ডে সোনার বুট জেতা স্ট্রাইকার। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শটে লিড দ্বিগুণ করলেন ফ্রাংকি বুয়াম। ৭২ মিনিটে ফের গোল মার্কাসের। এবারেও দর্শকের ভূমিকায় টলি-ডিফেন্স। ৮২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমালেন ক্রিস্টোফার।