তোলাবাজের দল বলে তৃণমূলকে তোপ দাগলেন মইনুদ্দিন শামস

114

রামপুরহাট: পাথরচাপুরি উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যানের পদ ছাড়লেন বীরভূমের নলহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক মইনুদ্দিন শামস। বুধবার তিনি পদত্যাগ পত্র জেলা শাসকের কাছে জমা দেন। তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় ঠাঁই না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন নলহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক তৃণমূলের মইনুদ্দিন শামস। কারণ ওই কেন্দ্রে তাকে বাদ দিয়ে তৃণমূল প্রার্থী করা হয়েছে নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান রাজেন্দ্র প্রসাদ সিংহকে। ফলে টিকিট না পেয়ে তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন মইনুদ্দিন। একই সঙ্গে নলহাটি কেন্দ্রের নির্বাচনে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন তিনি।

মইনুদ্দিন বলেন, ‘বাবা কলিমুদ্দিন শামসের হাত ধরে ১৯৯৬ সালে নলহাটিতে এসেছিলাম। বাবার সঙ্গে ঘুরে ঘুরে নলহাটির মানুষের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। সেই থেকেই নলহাটির মানুষের পাশে থেকে কিছু করার চেষ্টা করেছিলাম। ২০১৬ সালে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের শরিক হতে তৃণমূলে যোগদান করি। ওই বছরই নলহাটির টিকিটে জয়ী হয়ে পাঁচ বছর নলহাটিতে থেকে কাজ করে গিয়েছি। তারপরও দলনেত্রী আমাকে বঞ্চিত করেছেন।’ এক সময় বাবার দল সারাভারত ফরওয়ার্ড ব্লককে চোরের দল বলেছিলেন মইনুদ্দিন। টিকিট না পেয়ে এখন তৃণমূলকে তোলাবাজের দল বলতে শুরু করেছেন।

- Advertisement -

জনতাদল ইউনাইটেডের রাজ্য সভাপতি অশোক দাস বলেন, ‘আমার সঙ্গে মইনুদ্দিন সামসের কথা হয়েছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও উনার কথা বলিয়ে দিয়েছি। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।’ এলাকায় আওয়াজ উঠেছিল মইনুদ্দিন শামস বহিরাগত। এই প্রশ্নে মইনুদ্দিন বলেন, ‘আমি বহিরাগত হলে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বহিরাগত। তাছাড়া নলহাটিতে যাকে প্রার্থী করা হয়েছে তিনিও তো নির্বাচনে জয়ী হয়ে আগামী পাঁচ বছরে অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করব। তবে তৃণমূলে আর ফিরব না। প্রয়োজন হলে রাজনীতি ছেড়ে দেব।’