পুকুর খনন না করেই টাকা হাপিশ, তদন্ত ঘিরে ধুন্ধুমার

343

সামসী: ১০০ দিনের কাজে পুকুর খননের নামে স্বজনপোষনের অভিযোগ উঠল। বাস্তবে কোনও কাজ না করে ভুয়ো বিল দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রতুয়া ২ ব্লকের শ্রীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে। অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের ঘনিষ্ঠ একজন ও উপপ্রধানের স্ত্রীর নামে কাজ না করেও টাকা তোলা হয়েছে। অভিযোগ এনেছেন ওই পঞ্চায়েতের একাংশ সদস্য। এই মর্মে বিডিওর কাছে পৃথকভাবে দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে সদস্যরা।

এদিন রতুয়া ২ ব্লকের বিডিওর নির্দেশে ওই পঞ্চায়েতে তদন্তে আসেন দুই আধিকারিক। একজন হলেন আলমগীর হোসেন গাজী(এসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রাম অফিসার), অপরজন সুজয় কর্মকার(টেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার)। তাঁরা এদিন শ্রীপুর ১ জিপির ১৪ নম্বর সংসদে খেড়িয়া গ্রামের কাজ সরজমিনে তদন্ত করেন। ঘটনাস্থলে তদন্ত আধিকারিকদের সামনেই প্রধান ও বিরোধী গোষ্ঠীর গণ্ডগোল বাঁধে। এরপর লস্করপুরে পঞ্চায়েত দপ্তরেও দু’পক্ষের হাতাহাতি হয়। ফলে দু’পক্ষের অন্তত পাঁচ জন জখম হয়েছে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তদন্ত আধিকারিকরা সেখান থেকে সরে পড়েন। জখমদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় কুমারগঞ্জ প্রাথমিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জখম উপপ্রধান নুরুল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও বাকিদের মালদায় রেফার করা হয়েছে।

- Advertisement -

প্রধান রোশনারা খাতুনের স্বামী সাবেদ আলি বলেন, ‘আমার স্ত্রীকে গালিগালাজ ও মারধরও করা হয়েছে। ঘটনার বিবরণ জানিয়ে পুখুরিয়া থানায় এক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি বিডিও সাহেবকেও জানানো হয়েছে।‘ রতুয়া-২ বিডিও সোমনাথ মান্না বলেন, ‘পুরো ঘটনাটি শুনেছি। তবে, তদন্ত আধিকারিকরা এখনও কিছু জানাননি।‘ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পুখুরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন।