মনোনয়ন দাখিল করে তৃণমূল-বিজেপিকে তুলোধনা করলেন মোস্তাক আলম

131

মুরতুজ আলম, চাঁচল: মালদা জেলায় দু’দফায় ভোট গ্রহনের ঘোষনা করেছেন নির্বাচন কমিশন। তার মধ‍্যে সপ্তম দফায় উত্তর মালদার ছয়টি বিধানসভায় ভোট গ্রহন হবে ২৬ এপ্রিল। বুধবার সবার আগে প্রথম মনোনয়ন দাখিল করলেন হরিশ্চন্দ্রপুর-৪৬ বিধানসভার সংযুক্ত মোর্চা সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী মোস্তাক আলম। এদিন চাঁচল এসডিওর নিকট মনোনয়ন দাখিলের সময় মোস্তাক আলমের সঙ্গে ছিলেন সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য জামিল ফিরদৌস,সিপিএমের জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আরজাউল হক, সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য খলিলুর রহমান, কংগ্রেসের হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ও ২ ব্লকের সভাপতি বিমান বিহারি বসাক ও আবুল কাশেম। এদিন মনোনয়ন দাখিল করার পর জোট প্রার্থী মোস্তাক আলম রাজ‍্যের শাসকদল ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে কড়া ভাষায় বিধলেন। তিনি বলেন, হরিশ্চন্দ্রপুরের মাটি বরাবরই কংগ্রেস ও বামেদের মাটি।

পুনরায় তিনি জেতার ব্যাপারে একশো শতাংশ আশাবাদী। মোস্তাক আলম জানান, শাসকদল মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে গত পঞ্চায়েতে ভোটে পুলিশকে দিয়ে ছাপ্পা ভোট ও ব্যাপক লুঠতরাজ করে যেতে শাসকদল।প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষ খুন করতেও দ্বিধা করেন না শাসকদল এমনটাই অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়াও তিনি অভিযোগ করে জানান, শাসকদল প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা আত্মসাতের পাশাপাশি একশো দিন প্রকল্পের ভুয়ো মাস্টার রোল তৈরি করে কোটি কোটি উঠিয়ে নিচ্ছেন। বিজেপিকেও সাম্প্রদায়িক দল হিসেবে আখ্যা দিয়ে মোস্তাক আলম জানান,বিজেপি জাতপাতের রাজনীতি ছাড়া অন্য কিছু বোঝেননা।হরিশ্চন্দ্রপুরে বিজেপি কোনো ফ্যাক্টরই নয়। সেখানে লড়াই হবে মূলত শাসকদলের সঙ্গে।

- Advertisement -

মোস্তাক আলম তৃণমূল কংগ্রেসকে তোলাবাজের দল বলেছেন। হরিশ্চন্দ্রপুরের শাসকদলের প্রার্থী তজমুল হোসেনকে দলবদলু বলে কটাক্ষ করেন। কেন না তজমুলবাবুর আগে বামেদের প্রার্থী হয়ে বিধায়ক হয়েছিলেন। কিন্তু গত বিধানসভায় শাসকদলে যোগদান করেন। তাই দলবদলুকে একটিও ভোট নয়। এবার হরিশ্চন্দ্রপুরের মানুষ জোট প্রার্থীকেই ভোট দেবেন বলে আশাবাদী তিনি। তিনি আরও জানান,বাম-কংগ্রেস জমানায় হরিশ্চন্দ্রপুরে কখনও শান্তি বিঘ্নিত হয়নি। হয়নি কোনো গন্ডগোলও।

মোস্তাক আলম জানান,তাঁর জমানায় হরিশ্চন্দ্রপুরের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। কংগ্রেস জমানায় এলাকার ব্রিজ, কালভার্ট, পানীয়জল, রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নতি হয়। তাই উন্নয়নের নিরিখে একমাত্র ভোটের দাবিদার তিনিই।