নদীবাঁধ ভেঙে প্লাবিত বিস্তীর্ণ এলাকা, পরিদর্শনে সাংসদ

515

গাজোল: টাঙন নদীর জলের তোড়ে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত গাজোলের চাকনগর এবং সালাইডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা। কয়েকশো বিঘা চাষের জমির পাশাপাশি শতাধিক বাড়ি চলে গিয়েছে জলের তলে।

গত বুধবার রাতে চাকনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের কদুবাড়ি গ্রামে টাঙন নদীর জলের তোড়ে বাঁধের প্রায় ৬০ মিটার এলাকা ভেঙে যায়। বৃহস্পতিবার প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেন বিডিও উষ্ণতা মোক্তান এবং গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সাধুচরণ সরকার। গত শুক্রবার এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন পেশ হয় উত্তরবঙ্গ সংবাদে। শনিবার ওই সমস্ত এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম নূর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, বিধায়ক দিপালী বিশ্বাস, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রেজিনা পারভিন, বিডিও উষ্ণতা মোক্তান সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। এদিন একটি যন্ত্রচালিত নৌকা করে এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তাঁরা। কথা বলেন দুর্গত এলাকার মানুষদের সঙ্গেও। বাঁধের স্থায়ী সমাধানের দাবি তোলেন এলাকাবাসীরা। পাশাপাশি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এলাকায় যোগাযোগের জন্য নৌকার ব্যবস্থা করার আবেদন জানান তাঁরা।

- Advertisement -

নদীবাঁধ ভেঙে প্লাবিত বিস্তীর্ণ এলাকা, পরিদর্শনে সাংসদ| Uttarbanga Sambad | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Live Breaking News North Bengal | COVID-19 Latest Report From Northbengal West Bengal India

প্লাবিত এলাকা ঘুরে দেখার পর রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম নূর বলেন, ‘বাঁধটি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এখন জলের তীব্র স্রোত রয়েছে। তাই এই মুহূর্তে মেরামতের কাজ সম্ভব নয়। জল কমলে যত দ্রুত সম্ভব স্থায়ীভাবে মেরামতি করা হবে। প্রায় ১০০টি বাড়ি জলের তলায় চলে গিয়েছে। এদিন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁদের যাবতীয় দাবি দাওয়া আমরা খতিয়ে দেখছি। বিডিও অফিসের মাধ্যমে এলাকায় ত্রাণের কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র বলেন, ‘বাঁধের স্থায়ী সমাধানের পাশাপাশি যাতায়াতের জন্য নৌকার দাবি করেছেন এলাকাবাসীরা। আমরা সেখানে যত দ্রুত সম্ভব নৌকার ব্যবস্থা করছি।’