বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়

1019

নয়াদিল্লি: প্রথম থেকেই জল্পনা ছিল মুকুল রায়কে নিয়ে। বঙ্গ বিজেপিতে দলের অন্দরে দূরত্ব বাড়ছিল বলে সন্দেহ করেছিল অনেকেই। কিন্তু শনিবার সমস্ত জল্পনাকে দূরে সরিয়ে কেন্দ্রীয় বিজেপি কমিটিতে মুকুল রায়ের ঘটল পদন্নতি। এবার ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি হলেন মুকুল রায়।

জানা গিয়েছে, ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে থাকছেন জে পি নাড্ডা। নতুন কমিটিতে ছত্তিসগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহের মতো বর্ষীয়ান নেতার পাশাপাশি রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে, ওড়িশার জয় পান্ডা সহ মোট ১২ জন প্রবীণ নেতারা রয়েছেন। তবে কেন্দ্রীয় কমিটিতে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের নাম থাকায়, নয়া সমীকরণ খুঁজে পাচ্ছে বঙ্গের রাজনৈতিক মহল।

- Advertisement -

উল্লেখ্য, বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই মুকুলের পদ নিয়ে দড়ি টানাটানি অব্যাহত ছিল। সম্প্রতি বিজেপির নবগঠিত রাজ্য কমিটিতেও মুকুলের ঠাঁই হয়নি। এরপরই বিদ্রোহ করেন মুকুল। দিল্লিতে দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ছেড়ে কলকাতা ফিরে আসেন। এমনকি মুকুলের শীতঘুমকে অন্য ব্যাখ্যা দিতে শুরু করেছিল বাংলার রাজনৈতিক মহল।

তারপরই মুকুলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। এমনকি মুকুলকে মন্ত্রীও করা হতে পারে বলে চাপা গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে সাংগঠনিক পদ দিল বিজেপি।

অন্যদিকে, ভারতীয় জনতা পার্টির গঠন ও কাঠামোর দিক থেকে দ্বিতীয় সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদ হল সহ-সভাপতির পদ। ফলে এক কথায় মুকুলের পদোন্নতি হল বললেও ভুল বলা হয় না। মুকুল ছাড়াও এদিন প্রকাশিত তালিকায় রাধা মোহন সিংহ (বিহার), রঘুবর দাস (বিহার), রেখা ভর্মা (উত্তর প্রদেশ), অন্নপূর্ণা দেবী (ঝাড়খণ্ড), আব্দুল্লা কুট্টি (কেরালা)-এর নাম রয়েছে।

পাশাপাশি, দলের সর্বভারতীয় সচিবের তালিকায় রয়েছে অনুপম হাজরার নাম। বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই পুরনো দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন অনুপম। যাদবপুরে মিমির কাছে ভোটে হারলেও নিয়মিত মাঠে ময়দানে রয়েছেন তিনি। যুব মোর্চার নানা কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় তাঁকে। সঙ্গে নিয়মিত তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষুরধার আক্রমণ চালিয়ে খবরেও শিরোনামে থাকেন তিনি।