মর্যাদার ম্যাচে রোহিত বনাম বিরাট

দুবাই : দীর্ঘদিনের সতীর্থ।

দুজনের উত্থানও প্রায় একই সময়ে। যদিও বন্ধুত্বের রসায়ন খুঁজতে যাওয়া বৃথা। বরং ভারতীয় শিবিরে পরস্পরের প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত। বিরাট কোহলি বনাম রোহিত শর্মা। আগামীকাল যে ইগোর লড়াইয়ে উত্তাপ নিয়ে মুখোমুখি মুম্বই-ব্যাঙ্গালোর।

- Advertisement -

দ্বিতীয় পর্বে দুই দলই দুটি করে ম্যাচ খেলেছে। ফলাফলও এক। জোড়া হার। আগামীকাল হারের হ্যাটট্রিক আটকানোর টক্কর। দুই শিবিরের জন্যই কঠিন চ্যালেঞ্জ। মুম্বইয়ে মতো আরসিবিও হেরেছে চেন্নাই ও নাইটদের কাছে। অমিলও রয়েছে। পয়েন্ট টেবিলে বিরাটরা যেখানে তিন নম্বরে (৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট), সেখানে মুম্বই ছয়ে (৯ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট)।

কালকের ফলাফল ইকুয়েনটা ফের বদলে দিতে পারে।

মর্যাদার ম্যাচের আগে দুই শিবিরই সতর্ক। চেন্নাই ম্যাচে হারের পর কোহলি জানান, নাইট ম্যাচের চেয়ে এই হারে বেশি হতাশ। কারণ একসময় চালকের আসনে থেকেও তা ধরে রাখতে পারেনি। পাওয়ার প্লে-র বোলিং নিয়ে অসন্তোষ গোপন করেননি। রোহিতের কাঠগড়ায় দলের বোলার, ব্যাটসম্যান সবাই।

খাতায়-কলমে নয়, লড়াইটা মাঠে নেমেই। তাই সিরাজের একটা আগ্রাসি স্পেল তুরুপের তাস হতে পারে বিরাটের জন্য। কিংবা এক ম্যাচের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফের স্বমহিমায় হয়তো বুমরাহ-বোল্টরা। ব্যাটসম্যানদের জন্য অ্যাসিড টেস্ট। আর দুই শিবিরের মূল চিন্তা ব্যাটিংই। মূলত মিডলঅর্ডার। মুম্বইকে যেখানে ভাবাচ্ছে সূর্যকুমার, ঈশান কিষানদের অফফর্ম, তেমনই ম্যাক্সওয়েল-এবিডির রান না পাওয়া চাপে রাখছে বিরাটদের।

হাইভোল্টেজ সানডে স্পেশালে মূল আকর্ষণ দুই অধিনায়কই। মগজাস্ত্রের লড়াই। দুই মহাতারকার ব্যাটের ডুয়েলও। পরস্পরকে ছাপিয়ে যাওয়ার ম্যাচে বিরাট নাকি রোহিত, কে শেষপর্যন্ত টেক্কা দেয়, অধীর অপেক্ষায় ক্রিকেটপ্রেমীরাও।