অ্যাম্বুলেন্সে মাঠ ছাড়লেন মুম্বইয়ের আমেয়

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : আইএসএল ফাইনালে মাথায় মারাত্মক চোট পেলেন মুম্বইসিটি এফসির আমেয় রানাওয়াড়ে। চোট এতটাই গুরুতর যে, সাইডলাইনের ধারে মুখ থুবড়ে পড়ে যান ২৩ বছরের সাইডব্যাক। থরথর করে কাঁপছিল তাঁর পুরো শরীর।

প্রথমার্ধের সংযুক্তি সময়ে একটা ঘটনাই স্তব্ধ করে দিল ফাইনালের উৎসবের আবহকে। বল দখলের লড়াইয়ে এটিকে মোহনবাগানের শুভাশিস বসুর সঙ্গে সংঘর্ষে মাথায় চোট পেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন অমেয়। গোটা ঘটনায় হতবিহ্বল দুদলের ফুটবলাররা। চোট এতটাই গুরুতর যে বারবার সংজ্ঞা হারাচ্ছিলেন মুম্বইয়ে এই সাইডব্যাক। ডাগআউটে দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য দেখে কেঁদে ফেলেন অমেয়র সতীর্থ সাই গডার্ড। মাঠে তাঁর জন্য প্রার্থনা করতে দেখা যায় সবুজ-মেরুনের মানবীর সিং, রয় কৃষ্ণাদের।

- Advertisement -

চোট লাগার সময় আমেয়র খুব কাছেই ছিলেন মুম্বইয়ে ফিজিও। শ্রুশ্রষার জন্য দ্রুত তিনি ফুটে যান। চোটের গুরুত্ব বুঝে অ্যাম্বুলেন্সকে দ্রুত আসার ইশারা করতে দেখা যায় অ্যান্তোনিও লোপেজ হাবাসকেও। দেরী করেননি আয়োজকরা। অ্যাম্বুলেন্সে করে দ্রুত আমেয়কে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। এদিনের ঘটনায় হতভম্ব দর্শক-সমর্থকরাও। ফ্যানওয়ালে অনেক মোহনবাগান সমর্থককে দেখা যায় তাঁরা প্রার্থনা করছেন আমেয়র জন্য।

এদিন আমেয়র চোট উসকে দিল ২০০৩ আশিয়ান কাপে দেবজিৎ ঘোষের চোটের ঘটনা। মাটিতে লুটিয়ে পড়া দেবজিতের শ্বাসপ্রশ্বাস কৃত্রিমভাবে চালু রেখে তাঁর জীবনরক্ষা করেন ডগলাস। সঙ্গে ফিরল ২০০৪ সালে ফেডারেশন কাপের ফাইনালে জুনিয়ারের মর্মান্তিক মৃত্যুর স্মৃতিও। তবে সবাইকে স্বস্তি দিয়ে রাতের দিকে মুম্বই সিটি এফসি জানায়, জ্ঞান ফিরেছে আমেয়র। এমনকি হাসপাতালের বিছানায় হাসিমুখে শুয়ে থাকা আমেয়র ছবিও পোস্ট করে তারা।