দিল্লিগামী ট্রেন থেকে মুর্শিদাবাদের কিশোরী উদ্ধার

393

আসানসোল: মুর্শিদাবাদ জেলার ডোমকল থানা এলাকার দশম শ্রেণির এক স্কুল পড়ুয়াকে দিল্লিগামী ট্রেন থেকে উদ্ধার করল আসানসোলের আরপিএফের “মেরি সহেলি”র দল। জওয়ানরা যখন ওই ট্রেনে টহল দিচ্ছিলেন তখনই ওই কিশোরীকে দেখে এক মহিলা সাব-ইন্সপেক্টরের সন্দেহ হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাকে ট্রেন থেকে নামিয়ে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তখন সব ঘটনা জানতে পারে আরপিএফ। মঙ্গলবার কিশোরীর বাবার হাতে মেয়েটিকে তুলে দেয় আরপিএফ।

পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনের আরপিএফের সিনিয়র সিকিউরিটি কমিশনার চন্দ্রমোহন মিশ্র জানান, সোমবার শিয়ালদা থেকে দিল্লিগামী ট্রেনের সংরক্ষিত কামরায় ১৬ বছরের ওই কিশোরী ওঠেন। কিন্তু, আসানসোল রেল স্টেশনের “মেরি সহেলি” টিমের সাব-ইন্সপেক্টর শুভ্রা দে মেয়েটিকে দেখে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জানতে পারেন, সে একাই দিল্লি যাচ্ছে। কিন্তু তার সেখানে কারণ কী বা কোথায় সে যাচ্ছে এইসব ঠিকঠাক বলতে না পারায় সাব ইন্সপেক্টরের সন্দেহ আরও বাড়ে। মেয়েটির বাবার ফোন নম্বর নিয়ে তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে কথা বলেন ওই মহিলা সাব-ইন্সপেক্টর।

- Advertisement -

রেল পুলিশ সূত্রে খবর, মেয়েটি সোমবার সকালে গৃহ শিক্ষকের কাছে পড়তে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিল। তারপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। বাড়ির লোকেরা তাকে খুঁজে না পেয়ে স্থানীয় থানাতে নিখোঁজ ডায়েরিও করেন। আরপিএফ মেয়েটিকে নিজেদের হেপাজতে রেখে তার বাবাকে আসানসোলে আসতে বলেন। সেইমতো মঙ্গলবার তিনি আসানসোলে আসেন ও আরপিএফের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে মেয়েকে নিয়ে চলে যান। কিন্তু কেন বাড়িতে কাউকে কিছু না বলে ট্রেনের টিকিট রিজার্ভেশন করে সে দিল্লি চলে যাচ্ছিল, তা নিয়ে তিনি আরপিএফকে কিছুই জানান নি।

আরপিএফের সিনিয়র সিকিউরিটি কমিশনার আরও বলেন, আসানসোল ডিভিশনে মহিলা যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দেওয়ার জন্য ” মেরি সহেলি” নামে আরপিএফের যে টিম তৈরি করা হয়েছে। এই ঘটনায় ” মেরি সহেলি” টিমের প্রয়োজনীয়তা কতটা তা প্রমাণ করল। আমরা ট্রেনের মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা দিতে বদ্ধপরিকর।