বৃষ্টির জমা জল পচে কালো, ইংরেজবাজার পুরসভাকে দুষছে জনতা

253

জসিমুদ্দিন আহম্মদ, মালদা : ডেঙ্গি নিয়ে গা ঢিলেমি ভাবের অভিযোগ উঠল ইংরেজবাজার পুরসভার বিরুদ্ধে। এই ঢিলেমির নমুনার দেখা মিলবে শহরের মাঝখান দিয়ে যাওয়া জাতীয় সড়কে। রথবাড়ি থেকে সুকান্ত মোড় জাতীয় সড়কের ২ নম্বর লেনে হালকা বৃষ্টি হলেই জল জমে যায়। আর সেই জল নিজে থেকে শুকিয়ে না যাওযা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। কারণ, জমা জল সরানোর কোনও উদ্যোগ নেয় না পুরসভা। বর্তমানে সেই জমা জল পচে কালো রং-এ পরিণত হয়েছে। ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। কিলবিল করছে মশার লার্ভা। এই জমা জল থেকে ডেঙ্গির সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন আমজনতা। যদিও হেলদোল নেই পুরসভার।

প্রায় দুই দশক আগে রথবাড়ি থেকে সুকান্ত মোড় পর্যন্ত জাতীয় সড়ককে ফোর লেনে রূপান্তরিত করা হয়। শহরের ভিতরের এই অংশের রাস্তার কাজ পরিকল্পনামাফিক হয়নি। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় লেনের জল নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি। ফলে বৃষ্টি হলেই জল জমে জাতীয় সড়কের দ্বিতীয় লেনে।

- Advertisement -

রথবাড়ি সবজি বাজারে আসা নকুল সাহা নামে এক ব্যক্তি বলেন, করোনা আতঙ্ক তো রয়েছেই। এখন বাজার করতে এসে নয়া আতঙ্ক গ্রাস করছে আমাদের। জাতীয় সড়কের দ্বিতীয় লেনে জমে থাকা জল পচে কালো হয়েছে। তারমধ্যে দেখা যাচ্ছে মশার লার্ভা। জাতীয় সড়কের ওপর জমা জলে মশার লার্ভা দেখে আতঙ্কিত। পুরসভার উচিত এই নোংরা জল পরিষ্কার করা, নাহলে সেই জলে কিটনাশক স্প্রে করা উচিত। মহেশমাটির বাসিন্দা রাজেশ শেখ এদিন মাস্কের উপর রুমাল চাপা দিয়ে বাজার করছিলেন। তিনি বলেন, জাতীয় সড়কের ওপর মশার চাষ চলছে। জমা জল থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। তাই মাস্কের ওপরেই রুমাল চাপা দিচ্ছি। পুরসভা কি করছে বুঝতে পারছি না। যখন ডেঙ্গি ছড়াতে শুরু করবে, তখন হুঁশ ফিরবে। য়দিও শহরবাসীর তোলা অভিযোগকে বিশেষ পাত্তা দিতে চাইছেন না ইংরেজবাজার পুরসভার প্রশাসক কমিটির সদস্য দুলাল ওরফে বাবলা সরকার। তিনি বলেন, একথা ঠিকই যে জাতীয় সড়কের দ্বিতীয় লেনে জল জমে। তবে আমরা কিছু করছি না এটা ভুল। প্রতিদিন আমাদের সাফাইকর্মীরা আবর্জনা পরিষ্কার করে যাচ্ছেন। দুবার স্যানিটাইজ করা হয়েছে ওই লেন। আগামীতেও হবে। আতঙ্কিত হওযার কিছু নেই।