খড়িবাড়িতে জাতীয় সড়ক বেহাল, সংস্কারে উদাসীনতা

খড়িবাড়ি : জাতীয় সড়কের বেহাল দশায় জেরবার এলাকাবাসী সহ নিত্যযাত্রীরা। বিগত ছমাস যাবৎ খড়িবাড়ি ব্লকের অধিকারীর সংলগ্ন শিলিগুড়ি-পূর্ণিয়া ৩১সি জাতীয় সড়কের বেহাল দশা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ উদাসীন বলে অভিযোগ। রবিবার রাতে অধিকারীর কেলাবাড়ি এলাকায় বেহাল সড়কের জন্য একটি ছোট গাড়ি যাত্রী সহ উলটে য়ায়। সোমবার পরপর তিনটি মালবোঝাই ট্রাক যন্ত্রাংশ ভেঙে রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকায় ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। পরে খড়িবাড়ি পুলিশের তৎপরতায় গাড়িগুলিকে অধিকারী-বাতাসি রাজ্য সড়ক দিয়ে ঘুরপথে পাঠানো   হয়।

খড়িবাড়ি ব্লকের অধিকারী সংলগ্ন এই ৩১সি জাতীয় সড়কের বেহাল দশায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তাজুড়ে মাঝেমধ্যেই রয়েছে বিশাল বিশাল গর্ত। প্রতিদিন কয়েকশো মালবোঝাই ভারী গাড়ি শিলিগুড়ি, নেপাল, ঠাকুরগঞ্জ ও পূর্ণিয়ায় চলাচল করে। লকডাউন শিথিল হবার কদিনের সামান্য বৃষ্টির পর জাতীয় সড়কটির অবর্ণনীয় অবস্থা। এই রাস্তা দিয়ে খড়িবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, বিডিও, খড়িবাড়ি থানার ওসি সহ বিভিন্ন আধিকারিক প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছেন। অথচ সড়কটি মেরামতির বিষয়ে সবাই উদাসীন বলে অভিযোগ করেন এলাকার বাসিন্দারা। বিজয় রায়, বিশ্বজিৎ ঘোষ, বিপুল সরকাররা বলেন, প্রায় ছমাস ধরে একই অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ কিংবা স্থানীয় প্রশাসন রাস্তা সারাইয়ের বিষয়ে কোনও উদ্যোগী হচ্ছে না। প্রতিদিন ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। বর্ষার আগে রাস্তা সারাই না করা হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটবে বলে তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। পথচলতি গাড়ির চালক গৌরাঙ্গ শর্মা, অমরজিৎ পাহানরা জানান, অল্প বৃষ্টিতে গর্ত বাঁচাতে গাড়ির যন্ত্রাংশ ভেঙে যাচ্ছে। ভরা বর্ষায় নতুন কোনও চালক এই রাস্তায় এলে দুর্ঘটনা নিশ্চিত।

- Advertisement -

জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কেউ ফোন তোলেননি। তবে খড়িবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাদল সরকার বলেন, বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি জেলা শাসকের একটি প্রশাসনিক সভায় আলোচনা হয়েছিল। তবে লকডাউনের জন্য সাময়িক সমস্যা দেখা দিয়েছে। দ্রুত খড়িবাড়ি বিডিওর মাধ্যমে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে রাস্তাটি মেরামতির বিষয়ে পদক্ষেপ করা হবে।