দিল্লিতে আন্দোলন ঘিরে ‘তাণ্ডব’,চাপে কৃষক সংগঠনগুলি

142

ওয়েবডেস্ক: দিল্লিতে কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিল ঘিরে দিনভর তাণ্ডবের পর রীতিমতো চাপে কৃষক সংগঠনগুলি।ফলে শেষ পর্যন্ত সন্ধের পর ট্রাক্টর মিছিল প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করতে হয়েছে আন্দোলনকারি কৃষক সংগঠনগুলোর যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিসান মোর্চাকে।যদিও সংগঠনের তরফে বিবৃতি দিয়ে দাবি করা হয়েছে কিছু সমাজবিরোধী মিছিলের ভেতর ঢুকে পড়ে কৃষকদের আন্দোলনকে বিপথগামী করতে চেষ্টা করেছে।এদিনের ঘটনার পর কৃষক আন্দোলন নিয়ে যে প্রশ্ন উঠে গেল তা স্বীকার করছে সব মহলই। যেভাবে লালকেল্লার মতো সৌধের গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে কৃষক সংগঠনের পতাকা তোলা হয়েছে তাকেও ভাল চোখে দেখছেন না কেউই। ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্য কৃষকদের আবার আন্দোলন স্থলে ফিরে যেতে বলা হয়েছে সংযুক্ত মোর্চার তরফে।

অন্যদিকে দিল্লির পরিস্থিতির পর্যালোচনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাসভবনে এদিন সন্ধ্যায় এক বৈঠক হয়। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দিল্লির পরিস্থিতি জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব।ঘটনার পর দিল্লি জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে আরও ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১০ কোম্পানি সিআরপিএফ ও ৫ কোম্পানি অন্যান্য বাহিনী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বৈঠকে এনিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

- Advertisement -

দিল্লি পুলিশের কমিশনার এস এন শ্রীবাস্তব জানিয়ে দিয়েছেন, মিছিলের আগে কৃষকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল।পুলিশের নির্দিষ্ট করা রুটে তারা যেতে রাজী হলেও শেষপর্যন্ত তা মানেননি। উল্টে হাঙ্গামা করেছেন কৃষকরা।এতে বহু পুলিশকর্মী আহত।জানা গেছে পুলিশের তরফে হিংসাত্মক ঘটনার প্রেক্ষিতে চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।সর্বভারতীয় কৃষক সভার নেতা হান্নান মোল্লা বলেন, ‘আমরা সাত মাস ধরে এই আন্দোলন চালাচ্ছি৷ তাতে গাছের একটা পাতাও ছেঁড়া হয়নি৷ আজকের এই ঘটনার পিছনে সমাজবিরোধীরা রয়েছে, যারা কেন্দ্রীয় সরকারের দালালি করছে৷কৃষকরাই সমাজের সবথেকে শান্তিপূর্ণ মানুষ৷ এই ঘটনার জন্য তাঁরা দায়ী নন৷’