সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে পর্যটকদের নজরে নতুন ঠিকানা এই এলাকা

482

গাজোল: সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে এবার লকডাউনে নতুন ডেসটিনেশন মাগুরা ভোগা দাঁড়া স্লুইস গেট। পুরাতন মালদার ভাটরা বিলের পর এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হল রতুয়া-২ নম্বর ব্লকের পুকুরিয়া থানা এলাকার ওই জায়গা। গত দশ দিন ধরে ভালোই ভিড় হতে দেখা যাচ্ছে সেখানে। মালদা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছেলেমেয়েরা ভিড় জমাচ্ছে সেখানে।

জানা গিয়েছে, ১৯৭০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি এই স্লুইস গেটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন সেচ মন্ত্রী এবিএ গনিখান চৌধুরী। ১৯৭৩ সালের ১৭ আগস্ট সেটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শংকর রায়। সামসি সহ ওই সমস্ত এলাকার জমা জল এই স্লুইসগেটের মধ্যে দিয়ে মহানন্দা নদীতে গিয়ে পড়ে। এই জলের বেশিরভাগই নোংরা জল। তবে বর্তমানে প্রবল বৃষ্টির কারণে ওই এলাকায় প্রচুর জল জমেছে। আর সেই জমা জলই স্লুইসগেট দিয়ে প্রবল বেগে বেরিয়ে আসছে।

- Advertisement -

গাজোলের রশিকপুর এলাকা থেকে প্রতাপ, বাপি, মুকেশ, তপন এর মত এক ঝাঁক পড়ুয়া সেখানে এসেছেন। তাঁরা জানান, বাড়ির কাছে এই জায়গার সন্ধান সোশ্যাল মিডিয়ায় পেয়েছে। তাই এদিন সবাই মিলে এখানে চলে এসেছে আনন্দ করতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেখে পরিবারের সকলকে নিয়ে এসেছেন মহানন্দ মণ্ডল। তিনি জানান, লকডাউনে বাড়ির সকলেই প্রায় মনমরা হয়ে রয়েছে। এই অবস্থায় বাইরে কোথাও ঘুরতে যেতেও পারছি না। তাই পরিবারের সকলকে নিয়ে চলে এসেছি এখানে ঘুরতে। শুধু গাজোল ব্লকই নয়, পার্শ্ববর্তী বামন গোলা, হবিবপুর ছাড়াও পুরাতন মালদা, কালিয়াচক, সুজাপুর এলাকা থেকেও প্রচুর ছেলেমেয়েরা এসেছে আনন্দ ফুর্তি করতে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, স্লুইস গেট এলাকাটি এমনিতে খুবই ভালো। কিছুটা সময় ওখানে কাটানো যেতেই পারে। তবে ওই জলে স্নান না করাই ভালো। কেন না বিভিন্ন এলাকার বৃষ্টির জমা জল সহ পচা জল ওখান দিয়ে পার হয়। তাই আমাদের এলাকার কেউই ওখানে স্নান করে না। কিন্তু বাইরে থেকে যারা আসছে তাঁরা ওখানে অনেকেই স্নান করছেন। ওই জলে স্নান না করাই ভালো।