হায়দরাবাদ, ৩০ নভেম্বরঃ হায়দরাবাদে যুবতি চিকিৎসকের ধর্ষণের ঘটনার নতুন তথ্য উঠে এল পুলিশের কাছে। গ্রেফতার হওয়া ট্রাক চালকরা জেরার মুখে স্বীকার করেছে যুবতীকে টোল প্লাজার কাছে দেখে আগেই ধর্ষণের পরিকল্পনা করেছিল তারা। বুধবার সন্ধ্যে ৬টা নাগাদ যুবতী টোলপ্লাজার সামনে এসে তার স্কুটিটি রেখে ট্যাক্সি নিয়ে নিজের কাজে চলে যান। সেই সুযোগে যুবতীর স্কুটির চাকা পাংচার করে দেয় অভিযুক্তরা। রাত ৯টা ১৮ মিনিটে ফিরে এসে যুবতি দেখেন পিছনের চাকায় হাওয়া নেই। এরপর অভিযুক্তদের মধ্যে একজন সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসে। কিন্তু, প্রথমে সাহায্য নিতে চাননি ওই যুবতি। কিন্তু জল্লু শিবা নামে এক অভিযুক্ত যুবতির স্কুটারটি মেরামত করবে বলে নিয়ে যায়। খানিক বাদে ফিরে এসে সে জানায়, আশপাশে স্কুটি মেরামতের সমস্ত দোকান বন্ধ। এরপর যুবতিকে ধর্ষণ করে তারা। যুবতীর নাক মুখ চেপে ধরাতে তার মৃত্যু হয়। তারপর গায়ে পেট্রল ঢেলে যুবতীকে পুড়িয়ে দেয় অভিযুক্তরা।
সাইবারাবাদ পুলিশ কমিশনার ভিসি সজ্জানার জানান, ঘটনায় মহম্মদ আরিফ, জল্লু শিবা, জল্লু নবীন, চিন্তাকুন্তা চেন্নাকেশাভুলু নামে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ দ্রুত শুনানির জন্য ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে তোলা হবে মামলাটি।