শেয়ার সাজেশান : কেন্দ্রীয় সরকারের প্যাকেজ দিশা দেখাতে পারেনি

530

করোনার সংক্রমণ শুরুর আগে থেকেই মন্দার লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। চাহিদার অভাবে ধাক্কা খেয়েছিল বৃদ্ধির হার। করোনা মহামারির জেরে তা আরও প্রকট হয়েছে। এখন প্রয়োজন ছিল সাধারণ মানুষের হাতে নগদের জোগান বাড়ানো। যাতে চাহিদা বাড়ে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্যাকেজ এই দিশা দেখাতে পারেনি। আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে দেশীয শিল্পকে ঘুরে দাঁড় করাতে চাইছে কেন্দ্র। ক্ষুদ্র, ছোট, মাঝারি শিল্প, ব্যাংক নয় এমন আর্থিক সংস্থাগুলি, আবাসন শিল্প, বিদ্যুৎ শিল্পের জন্য প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে।

কিশলয় মণ্ডল : অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করাতে ২০ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যা জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশ। আগে ১.৭ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে। রিজার্ভ ব্যাংকের দেওয়া প্যাকেজের মূল্যও প্রায় ৭.৮ লক্ষ কোটি টাকা। এরপরে কয়েক দফায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন প্রায় ৫ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজের কথা জানিয়েছেন। এখনও কয়েক দফায় ত্রাণ প্যাকেজ দেওয়া হবে। তবুও কেন্দ্রীয় সরকারের প্যাকেজ খুশি করতে পারেনি ভারতীয় শেযারবাজারকে। সূচকের ওঠানামায় সেটাই স্পষ্ট হয়েছে।

- Advertisement -

করোনার সংক্রমণ শুরুর আগে থেকেই মন্দার লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। চাহিদার অভাবে ধাক্কা খেয়েছিল বৃদ্ধির হার। করোনা মহামারির জেরে তা আরও প্রকট হয়েছে। এখন প্রয়োজন ছিল সাধারণ মানুষের হাতে নগদের জোগান বাড়ানো। যাতে চাহিদা বাড়ে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্যাকেজ এই দিশা দেখাতে পারেনি। আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে দেশীয় শিল্পকে ঘুরে দাঁড় করাতে চাইছে কেন্দ্র। ক্ষুদ্র, ছোট, মাঝারি শিল্প, ব্যাংক নয় এমন আর্থিক সংস্থাগুলি, আবাসন শিল্প, বিদ্যুৎ শিল্পের জন্য প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে। কৃষিঋণের পরিমাণ বাড়ানো সহ গ্রামীণ ভারত এবং গরিব মানুষের জন্যও প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে। এসব প্যাকেজের সুফল মিলতে সময় লাগবে। আর এখানেই হতাশা বেড়েছে লগ্নিকারীদের। বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো দাওয়াই চাইছিল শিল্পমহলও। এ কারণেই আর্থিক প্যাকেজের প্রভাব সেভাবে শেয়ারবাজারে পড়েনি। এর ওপর বিগত সপ্তাহে নিম্নমুখী ছিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজারও। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ভারতেও।

তবে আশার আলোও আছে। চতুর্থ দফার লকডাউনের ইঙ্গিত দেওয়া হলেও ধীরে ধীরে আর্থিক কর্মকাণ্ড সচল হয়েছে। করোনার প্রভাব বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় ভারতে অনেকটাই কম। তাই সময় লাগলেও অর্থনীতি আগামীদিনে এই ধাক্কা সামলে নেবে। এমন আশা করাই যায়। এবার স্বাভাবিক বর্ষার পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। কৃষিকাজ এবার ভালো হবে। মূল্যবৃদ্ধিও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এপ্রিলে টানা শেযার বিক্রি করলেও মে মাসে ফের ভারতে লগ্নি শুরু করেছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। যা দেশের অর্থনীতি ঘিরে আশা বাড়াচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অনুকূল না হলেও ভবিষ্যৎ নিযে আশাবাদী হওয়াই যায়। এমন পরিস্থিতিতে শেযার বাজারের প্রাথমিক বিষয়গুলিতে জোর দিতে হবে। গুণগত মানে ভালো শেযারে অল্প অল্প করে লগ্নি করুন। লগ্নি করতে হবে দীর্ঘমেয়াদের জন্য। দৈনন্দিন কেনাবেচা থেকে বিরত থাকতে হবে। নিজের পোর্টফোলিওতে নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন। সাবধানে পা না ফেললে বিপদে পড়তে পারেন সাধারণ লগ্নিকারীরা।