‘যোগ করো, নীরোগ থাকো’ শ্লোগান দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত নির্মল যোগ সংঘের

76

গাজোল: নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে সাড়ম্বরে পালিত হল হালখাতার অনুষ্ঠান। নানারকম মিষ্টান্ন এবং পানীয় দিয়ে দীর্ঘদিনের গ্রাহকদের নতুন খাতায় নাম লিপিবদ্ধ করার কাজ চলে। অনেকে আবার গ্রাহকদের হাতে তুলে দেয় নতুন বছরের ক্যালেন্ডার এবং মিষ্টির প্যাকেট। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চলে গণেশ বন্দনা। তবে নতুন বছরকে একটু অন্যভাবে পালন করলেন যোগ শিক্ষার্থীরা। এবারই প্রথম তাঁদের উদ্যোগে পালিত হল বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। ‘যোগ করো, নীরোগ থাকো’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে নতুন বছরকে স্বাগত জানান সংগঠনের সদস্যরা। গাজোলের নির্মল যোগ সংঘের উদ্যোগে গাজোলের বিএসএ ময়দান থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। কোভিড বিধি মেনে এদিন সকাল ৬টা থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি শংকরপুর বিএসএ ময়দান থেকে বেরিয়ে থানা মোড় হয়ে গোটা গাজোল পরিক্রমা করে আবার শংকরপুর মাঠে এসে শেষ হয়। উপস্থিত ছিলেন নির্মল যোগ সংঘের সভাপতি নির্মল কুমার দাস, সম্পাদক তথা বিশিষ্ট শিল্পপতি বিধানচন্দ্র রায়, কোষাধক্ষ্য গৌতম সরকার, বিএসএর সম্পাদক সুভাষ রায় প্রমুখ।

সংগঠনের সভাপতি তথা প্রশিক্ষক নির্মল কুমার দাস জানান, বিগত কয়েক মাস ধরেই শংকরপুর মাঠে যোগের একটি আসর বসে ভোর পাঁচটা থেকে। প্রতিদিন নিয়মিত বিনা পয়সায় যোগ ব্যায়াম শেখানো হয় সংগঠনের তরফে। আজ নতুন বছর উপলক্ষ্যে আমাদের সংগঠনের সদস্যরা একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে এবং রাস্তায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনের মাধ্যমে অন্যরূপ মাত্রা এনে দেয়। আজ বাংলা নতুন বছরের শুরুর দিনে আমরা সমস্ত গাজোলবাসীকে মাঠে আসার জন্য আহ্বান জানাই।

- Advertisement -

বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং সংগঠনের সম্পাদক বিধান রায় জানান, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন কারণে নানারকম রোগ বাসা বাঁধছে শরীরে। শরীরকে সুস্থ রাখতে শুধু যোগ বা প্রাণায়ামই নয়, মিউজিকের তালে বিভিন্ন রকম অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঞ্চালনও এখানে শেখানো হয়। গাজোলবাসীকে বার্তা দিয়েছি তাঁরাও যেন এই শিবিরে যোগ দেন। বিএসএ সম্পাদক সুভাষ রায় জানান, এরা সুন্দর একটি কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে সকালবেলা যোগ প্রাণায়ামের অনুষ্ঠান করেন। তাই গাজোলবাসীর স্বার্থে এই মাঠ তাদের ব্যবহার করতে দেওয়া হচ্ছে। আমরাও সকল মানুষকে আহ্বান করব নিজেদের স্বার্থেই আপনারা প্রতিদিন ভোর বেলায় মাঠে আসুন।