দিল্লি, ৩১ জানুয়ারিঃ শনিবারই নির্ভয়া কাণ্ডে অভিযুক্তদের ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ফাঁসির কয়েক ঘণ্টা আগে শুক্রবার স্থগিত হয়ে গেল সেই মৃত্যুদণ্ডাদেশ। দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে ফাঁসি পিছিয়ে গেল দ্বিতীয়বারের জন্য। আসামিদের সামনে আইনি পথ খোলা থাকায় পবন গুপ্তার আবেদনের জেরে স্থগিত হয়ে গেল ফাঁসি। এদিন নতুন করে মৃত্যু পরোয়ানাও জারি করেনি আদালত।
এর আগে একাধিকবার নির্ভয়া কাণ্ডের সময় সে নাবালক ছিল বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে পবন গুপ্তা। প্রতিবারই তার দাবি খারিজ করে দিয়েছে আদালত। এমনকী পবনের বয়স সংক্রান্ত ভুয়ো নথিপত্র জমা দেওয়ায় তার আইনজীবী এপি সিং-কে কড়া তিরস্কার করে দিল্লি হাইকোর্ট। গত ২০ জানুয়ারি পবনের স্পেশাল লিভ পিটিশন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। দিল্লি হাইকোর্টও তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণার সময় এই বিষয়টি খারিজ করে দেয়। এরপরও ফাঁসির ২৪ ঘন্টা আগে সুপ্রিমকোর্টের কাছে একই দাবি রেখে ফাঁসির পুনর্বিবেচনার আবেদন রাখে পবন। যদিও সুপ্রিমকোর্ট তাকে ফিরিয়ে দেয়। এবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আর বনুমথি মামলার এই দিকটি নিয়ে আর শুনানিতে সম্মত হননি। এভাবে একই বিষয় নিয়ে বারবার আবেদন করা যায় না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
কিন্তু এরপরই এদিন নতুন করে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমাভিক্ষার আবেদন করে আরেক আসামী বিনয় শর্মা। যে আবেদনের প্রেক্ষিতেই এদিন ফাঁসির আদেশ স্থগিত হয়ে গেল পাতিয়ালা হাউজ কোর্টে।
নিয়ম অনুযায়ী, আজ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সেই আবেদন খারিজ করে দিলেও, ফাঁসির আগে ১৪ দিন সময় পাবেন আসামী। এখন সংবিধান অনুসারে সেক্ষেত্রে ১৩ তম দিনে অন্য কোনও আসামী ক্ষমাভিক্ষার আবেদন করতে পারেন।