রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় নিশীথ-বারলা সহ ৪

266

শিলিগুড়ি: জল্পনা সত্যি করে উত্তরবঙ্গ থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ও আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বারলা। তাঁদের পাশাপাশি বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর ও বাঁকুড়ার সাংসদ ডা: সুভাষ সরকারও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে বুধবার শপথ নিয়েছেন। রাজ্য থেকে চারজনকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্ব দেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি বঙ্গ বিজেপি নেতারা। এতদিন বাংলা থেকে দুজন মন্ত্রী ছিলেন। তাঁদের একজন আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়, আর অপরজন রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী রায়চৌধুরী। তবে তাঁরা কেউই পূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন না। দেবশ্রী ও বাবুল দুজনই এদিন পদত্যাগ করেছেন।

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে ভালো ফল করেছিল বিজেপি। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়ে সেবছর কোচবিহার আসন থেকে বিজেপির টিকিটে জয় পেয়েছিলেন নিশীথ প্রামাণিক। এবছর রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনেও দল তাঁকে দিনহাটা থেকে প্রার্থী করে। সেখানেও তিনি জয় পান। যদিও নিশীথ পরে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন। বিভিন্ন ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সরকারের সমালোচনা করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। অন্যদিকে, বিধানসভা ভোটে আলিপুরদুয়ার জেলার সবকটি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। বিশেষত চা বলয়ে পদ্মশিবির যথেষ্ট ভালো ফল করেছে। যার পেছনে জন বারলার ভূমিকা অনেকটাই। তারই পুরস্কার হিসেবে নিশীথ ও জনকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্ব দেওয়া হল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

- Advertisement -

অন্যদিকে, মতুয়া ভোটের কথা মাথায় রেখে বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরকে মন্ত্রী করা হয়েছে। বাঁকুড়া থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় ঠাঁই পেয়েছেন ডা: সুভাষ সরকার। লোকসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া, পুরুলিয়ায় ভালো ফল করেছিল বিজেপি। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে সেই ভোট অনেকটাই হাতছাড়া হয়। সেদিকে লক্ষ্য রেখে ও দলের হারানো জমি পুনরুদ্ধারে সুভাষবাবুকে মন্ত্রীত্ব দেওয়া হল বলে মনে করা হচ্ছে।