যাত্রার বায়না নেই, মন খারাপ রানিগঞ্জের

131

রাজা বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: ’মিনি চিৎপুর’ বলে পরিচিত আসানসোল শিল্পাঞ্চলের রানিগঞ্জের রানিসায়ের। রথযাত্রার দিন ফি বছর ঘটা করে পুজো হয়ে আসছে রানিসায়েরের যাত্রা বুকিং সেন্টারগুলিতে। যদিও এবছর করোনা আবহের জেরে সেসবে বাধ সেধেছে। কেননা, করোনা সংক্রমণ এবং সরকারি বিধিনিষেধের জেরে যাত্রা উৎসব থেকে শুরু করে টলি-বলি জগতের তারকাদের নিয়ে জলসায় ইতি পড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ রানিগঞ্জের রানিসায়েরের যাত্রা বুকিং সেন্টারের মালিক থেকে শুরু করে কর্মী সকলেরই।

দক্ষিণবঙ্গের জেলা দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই বর্ধমান ও বীরভূম থেকে গ্রামের মানুষেরা যাত্রা পালার বুকিং করতে পৌঁছে যেতেন রানিগঞ্জের রানিসায়েরের বুকিং সেন্টারগুলিতে। রথযাত্রার দিন থেকেই তা শুরু হত। বিশ্বকর্মা পুজোর দিন থেকে শুরু হত যাত্রার মহরা। আসর চলে পরের ৩১ জ্যৈষ্ঠ পর্যন্ত। বলতে গেলে প্রায় বছরভর।

- Advertisement -

লোকসংস্কৃতির ধারক-বাহক যাত্রা শিল্পকে বাঁচিয়ে রেখেছে রানিগঞ্জের ‘মিনি চিৎপুর’ বলে পরিচিত এই রানিসায়ের যাত্রা বুকিং সেন্টারগুলি। কলকাতার নামকরা ৪৫টি যাত্রাদলের পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রায় ৪০টি, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৪০টি, হুগলির আরামবাগে ১৫টি ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার কাকদ্বীপে প্রায় ১০টি যাত্রাদল রয়েছে। বুকিং কেন্দ্রের মালিকদের দাবি, এবছর নতুন যাত্রাপালার কোনও খবর নেই। কবে ফের স্বাভাবিক যাত্রা বা অনুষ্ঠান করার অনুমতি মিলবে তা কেউ জানে না।