মমতার জনসভার জেরে হলদিবাড়ি রইল বাস-শূন্য, ভোগান্তি

98

হলদিবাড়ি: ভোগান্তি যে হবেই, তার আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল আগের দিন থেকেই। মঙ্গলবার ছবিটা আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠল। মেখলিগঞ্জে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভার দিন হলদিবাড়ি ব্লক কার্যত রইল বাস-শূন্য। আর তার জেরে সপ্তাহের দ্বিতীয় কাজের দিন বাইরে বেরিয়ে গাড়ি খুঁজতে নাজেহাল হতে হল সাধারণ মানুষকে। এছাড়াও জনসভায় দলীয় কর্মীদের পৌঁছে দেওয়া গাড়ির যানজটে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে নবনির্মিত জয়ী সেতু। এতে সেতুর ওপর থেকে মেখলিগঞ্জ শহর পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার পথ বাস, ট্রাক, মারুতি, টোটো, বাইকের মতো বিভিন্ন যানবাহন যানজটে আটকে যায়। সেতু সহ সড়কটি অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক যানবাহনকে বাধ্য হয়ে ঘুরে যেতে হয়। একইভাবে সভাস্থলে পৌঁছোতে না পেরে অনেক সমর্থকরাও বাড়ি ফিরে যান।

নির্বাচনের প্রাক মুহূর্তে মমতার জনসভা ভরাতে হলদিবাড়ি-দেওয়ানগঞ্জ, হলদিবাড়ি-জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি রুটের সব গাড়ি ভাড়া করে তৃণমূল। তারপরেও এলাকার টোটো ও ছোট গাড়ি সহ ডুয়ার্সের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাড়া করা হয়। যার জেরে মঙ্গলবার সকাল থেকে পরিবহণ ব্যবস্থা পুরোপুরি ব্যাহত হতে শুরু করে। বাস না পেয়ে মঙ্গলবার দিনভর হলদিবাড়ি, দেওয়ানগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, সাতকুরা, জলপাইগুড়ির বাসস্ট্যান্ডে প্রচন্ড গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন যাত্রীরা। বাধ্য হয়ে অনেকেই ট্রাক, ম্যাটাডর, ট্রেকারের মতো ছোট গাড়িতে মোটা অঙ্কের টাকা গুনে গন্তব্যস্থলে যেতে বাধ্য হন।

- Advertisement -

নিত্যযাত্রী জয়দীপ দে বলেন, ‘এদিন হাতেগোনা যে ক’টি সরকারি বাস চলছে, তার প্রতিটিই ছিল ভিড়ে ঠাসা। ফলে, অনেকেই সেই বাসগুলিতে উঠতে পারেননি।’ হলদিবাড়ির বাসিন্দা সুজন বণিক বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি তো আর নেই। তাই অফিস ছিল খোলা। বাস না থাকায় এক বন্ধুর বাইকে চেপে অফিসে যেতে হয়েছে। খুব সমস্যায় পড়তে হয়েছে আমাদের।’