করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা উড়িয়ে ভিড় বাড়ছে লিউসিপাকড়িতে

35

ফাঁসিদেওয়া, ২০ মেঃ করোনা সংক্রমনের আশংকা বাড়াচ্ছে শিলিগুড়ি মহকুমার অন্তর্গত অন্যতম কাঁচা সবজির পাইকারি বাজার। ফাঁসিদেওয়া ব্লকের লিউসিপাকড়িতে দৈনিক এই সবজি বাজার বসেছে। রাজ্য সরকারের তরফে চলতি মাসের ১৫ তারিখ করোনা সংক্রান্ত নয়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেই নির্দেশিকা অনুযায়ী কাঁচামাল বিক্রির ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। জীবন ও জীবিকার টানে দৈনিক প্রচুর মানুষ ভিড় করছেন এই বাজারে।

শুধু শিলিগুড়ি নয় গোটা দার্জিলিং জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা কাঁচা সবজি আমদানির জন্য এই বাজারের উপরেই অনেকাংশে নির্ভরশীল। অথচ, ভোর প্রায় ৩টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত চলা এই বাজারেই করোনা সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে, রীতিমতো ভিড় করছেন কৃষক থেকে শুরু করে কাঁচা সবজির বিক্রেতারা। সেখানে সামাজিক দূরত্ববিধি মানা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ। একইসঙ্গে অনেকে মাস্ক না পড়েই বাজারে চলে আসছেন। শিলিগুড়ি মহকুমার একটা বিরাট অংশ জুড়ে কৃষি কাজের ওপর নির্ভর করে প্রচুর মানুষ। এরমধ্যে ফাঁসিদেওয়া ব্লকে কৃষকের সংখ্যা সবচাইতে বেশি।

- Advertisement -

গতবছর লকডাউনের সময় এই বাজার নিয়ে প্রশাসনকে বেশ ঝক্কি পোহাতে হয়েছিল। প্রথমে এই বাজার এলাকার রাজ্য সড়কের পাশেই বসত। করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় তা মহম্মদ বক্স মোড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সংক্রমণের হার কমতেই ফের আগের জায়গায় বাজার নিয়ে আসা হয়। গোটা জেলায় করোনা সংক্রমণ এখন ঊর্ধ্বমুখী। ব্লকে বিগত মাসে প্রচুর মানুষ করোনা সংক্রামিত হয়েছেন। তাই প্রশাসনের তরফে এই বাজার নিয়ে নজরদারি বাড়ানোর দাবি উঠেছে।

লিউসিপাকড়ি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সন্তোষ কুমার রায় বলেন, মাইকিং করে লাগাতার প্রচার চালানোর পরও এমন ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। শুধুমাত্র জীবিকার তাগিদেই বাজার চালু রাখা হয়েছে। বাজারের এক সবজি বিক্রেতাকে মাস্ক না থাকার কারণ প্রশ্ন করতেই তাঁর শ্বাসকষ্ট হয় বলে দাবি করেন। করোনার ভয়ের কথা স্বীকার করে মহিলা এক ক্রেতা বলেন, মাস্ক আনতে ভুলে গিয়েছি। এমন মন্তব্য মিলেছে বেশিরভাগ ক্রেতা বিক্রেতাদের কাছ থেকে। এবিষয়ে ফাঁসিদেওয়ার বিডিও সঞ্জু গুহমজুমদার বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। আগামীকাল বাজারে পরিদর্শনে যাব।