নেই স্থায়ী চালক, নষ্ট হচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স

62

 রায়গঞ্জ:  নেই স্থায়ী চালক। শুধুমাত্র সেই কারণেই নষ্ট হতে বসেছে বিধায়কের দেওয়া অ্যাম্বুলেন্স। শুধু তাই নয় পরপর তিনটি অ্যাম্বুলেন্স খোলা আকাশের নিচে পড়ে থেকে নষ্ট হতে বসেছে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের মোটা টাকার বিনিময়ে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। বর্তমানে ওই অ্যাম্বুলেন্সগুলি ভাটোল প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। ২০১১ সালে সাড়া রাজ্যে পরিবর্তনের ঝড় আসলেও হেমতাবাদ বিধানসভার আসনটি বামেদের দখলে আসে। ২০১৪ সালে সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স দিয়েছিলেন তৎকালীন সিপিএমের বিধায়ক খগেন্দ্রনাথ সিংহ। সেই তিনটি অ্যাম্বুলেন্স চালক ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে।

ভাতুন গ্রাম পঞ্চায়েতের বসতপুর, মালদাখন্ড,ভাটোল, তাজপুর সহ ২০ টি গ্ৰামের প্রায় ৯০হাজার বাসিন্দাকে বিণামূল্যে  অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা দেওয়ার জন্য বিধায়ক কোটা থেকে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন প্রাক্তন সিপিএমের বিধায়ক খগেন্দ্রনাথ সিংহ। ২০১৭ সাল থেকে ওই অ্যাম্বুলেন্সটি ভাটোল প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র পরিতক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ভাতুন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ইউসুফ আলী বলেন, ‘ দীর্ঘ চার বছর যাবৎ চালক না পাওয়ায় তিনটি অ্যাম্বুলেন্স পড়ে রয়েছে। সমস্ত বিষয়টি স্বাস্থ্য দপ্তর কে জানানো হয়েছে। নবনির্বাচিত হেমতাবাদের তৃণমূলের বিধায়ক সত্যজিৎ বর্মন বলেন, ‘যাতে ভাতুন গ্রাম পঞ্চায়েতে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার কোন সমস্যা না হয় তার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চিন্তার কোনও  কারণ নেই।‘

- Advertisement -