লাল-হলুদের ম্যানেজার ক্ষমা চাওয়ায় মিটমাট

কলকাতা: রবি ফাওলার এবং এসসি ইস্টবেঙ্গল সিইও শিবাজী সমাদ্দারের বিরুদ্ধে শনিবার রাত পর্যন্ত কোনও রিপোর্ট জমা পড়েনি আইএসএলের তরফে।

যা খবর এই রিপোর্ট সম্ভবত না লিগ কমিটি, না শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি, কারোর কাছেই দেওয়া হচ্ছে না। এআইএফএফ সচিব কুশল দাশ জানান, তাঁরা কোনও রিপোর্ট হাতে পাননি। জানা গিয়েছে, রিপোর্ট দিতে বারণ করে দেওয়া হয়েছে ম্যাচ কমিশনার মাইকেল অ্যান্ড্রুজকেও। ইতিমধ্যেই দলের ম্যানেজার শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায ব্যাক্তিগতভাবে গিয়ে প্রোজেক্ট হেড রোচক ল্যাঙ্গারের সঙ্গে কথা বলে সব মিটিয়ে নিতে অনুরোধ করেন। তাছাড়া লিখিতভাবেও তিনি ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন। যদিও সুত্রের খবর, কোচ এবং সিইওকে আড়াল করতেই তাঁকে প্রোজেক্ট হেডের কাছে যেতে বাধ্য করা হয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তৃপক্ষের তরফে। শোনা যাচ্ছে, এই গোটা বিষয়টি নিয়ে দলের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা যথেষ্ট ক্ষুব্ধ। তাঁরা মনে করছেন, কোচ এবং সিইও-র কৃতকর্মের দায়ভার তাঁদের নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। যা নিয়ে অনেকেই ঘনিষ্ট মহলে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। যদিও কর্তৃপক্ষের কোপে পড়ার ভয়ে কেউই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইছেন না। সবমিলিয়ে পরিস্থিতি আপাতত সামাল দেওয়া গেলেও কতদিন সবকিছু ঠিকঠাক থাকবে তা নিয়ে সন্দীহান এখন দলের লোকজনই।

- Advertisement -

তবে এতকিছুর পরেও অবশ্য রবি ফাওলার রেফারিদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই বিষোদ্গার করেই চলেছেন। ম্যাচের পরেও তিনি বলেন, ম্যাচগুলো শেষ করে দিচ্ছে রেফারিই। এরকমভাবে চললে ভালো খেলার কোনও দাম থাকে না। আমরা ম্যাচটা জিততেই পারতাম। কিন্তু সেটা সম্ভব হল না রেফারির জন্য। এটা মাথায় রাখতে হবে, সারা পৃথিবীর লোক এই লিগটা দেখছে। এত ভালো একটা টুর্নামেন্ট শেষ করে দিচ্ছে রেফারিরাই। প্রায় প্রতি ম্যাচেই রেফারির বিরুদ্ধে কথা বলেও বারবার পার পেয়ে যাচ্ছেন লিভারপুল কিংবদন্তী। যদিও লিগ আয়োজকরা অনেকেই বলছেন, যত ফাওলার এই ধরনের কথাবার্তা বলবেন ততই ক্ষতিগ্রস্থ হবে তাঁর দল। কারণ এখন আয়োজক থেকে রেফারি, সকলেই বিরক্ত তাঁর আচার-আচরণে।