দেশে ফিরে ১৪ দিনের আইসোলেশনে চ্যাম্পিয়নরা

অকল্যান্ড : সাদাম্পটনের এজিয়েস বোল।

বুধবার যেখানে রচিত হয়েছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের সোনালি ইতিহাস। হতাশার অতীতকে আটলান্টিকে বিসর্জন দিয়ে নতুন ভোরের শুরু। স্মরণীয় মুহূর্তের স্বাদটা চেটেপুটে নিতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করেননি কেন উইলিয়ামসন এবং তাঁর ব্রিগেড।

- Advertisement -

রস টেলরের উইনিং শটের পর মাঠেই উৎসবের শুরু। টিম হোটেলে ফিরে রাতভর পার্টি। কেন উইলিয়ামসনের কথায় কেরিয়ারের সেরা রাত। গোটা নিউজিল্যান্ডও সেলিব্রেশন মুডে। পারদ চড়িয়ে সিঙ্গাপুর হয়ে এদিনই দেশের মাটিতে পা রাখলেন চ্যাম্পিয়নরা। দলের সঙ্গে অবশ্য আসতে পারেননি অধিনায়ক কেন উইলিয়ামস, ডেভন কনওয়ে, কাইল জেমিসন, কলিন ডি গ্র‌্যান্ডহোমে। ইংলিশ ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার জন্য রয়ে গিয়েছেন।

সতীর্থদের বিদায় জানানোর আগে টিম হোটেলে দীর্ঘ বক্তব্যও রাখেন উইলিয়ামসন। গর্বের পাশাপাশি ঐতিহ্য ধরে রাখার দায়বদ্ধতার কথা তাঁর গলায়। নায়কদের আগমনে অকল্যান্ড বিমানবন্দরেও লক্ষণীয় উচ্ছ্বাস। তবে সবই কড়া কোভিড প্রোটোকলে মেনেই। কোভিদের কারণেই এখনই পরিবারের সঙ্গে মিলিতও হতে পারবেন না টেলর-সাউদিরা। ১৪ দিনের আইসোলেশনের পরই ছাড় পাবেন।

ব্ল্যাক ক্যাপসদের উৎসাহের মধ্যমণি প্রথম বিশ্বসেরার স্মারক দণ্ড। বিমানে টিম সাউদি যা কাছছাড়া করতে নারাজ। পাশে রেখেই সিটে বসেছিলেন। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে কিউয়ি বোলারদের মধ্যে সর্বাধিক উইকেট প্রাপক বলেও দেন, আপাতত সাফল্যটা চুটিয়ে উপভোগ করবেন। লম্বা বিশ্রাম, পরিবারের সঙ্গে কাটাবেন। তারপর পরবর্তী সিরিজের প্রস্তুতির ভাবনা।

বিজে ওয়াটলিংয়ের কাছে আবেগঘন মুহূর্ত। বিদায়ি ম্যাচে বিশ্বসেরার মুকুটে পারফেক্ট ফেয়ারওয়েল। তবে রস টেলর এখনই বিদায় নিতে রাজি নন। দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ তারকার সাফ কথা, আরও কিছু স্মরণীয় ম্যাচ খেলতে চান দেশের হয়ে বছর সাঁইত্রিশের টেলর বলেন, বাড়ি ফিরে কখন সবাইকে দেখব, এরজন্য মুখিয়ে রয়েছি। আর অবসর? মানছি কেরিয়ারের শেষপর্বে পৌঁছে গিয়েছি। তবে নিউজিল্যান্ডের হয়ে আরও কিছু ম্যাচ খেলা বাকি আছে আমার।