অলিম্পিক থেকে খালি হাতে ফিরছেন জোকার

টোকিও : সোনার আশা শেষ হয়ে গিয়েছিল শুক্রবারই। তবে দেশের হয়ে অন্তত একটি মেডেল জিততে চেয়েছিলেন।

সার্বিয়ার নোভাক জকোভিচের এই আশা অবশ্য পূরণ হল না। শনিবার পুরুষদের সিঙ্গলসে ব্রোঞ্জ ম্যাচে স্পেনের পাবলো কারেনো বুস্তার কাছে ৪-৬, ৭-৬ (৮/৬), ৩-৬ সেটে হারলেন। অন্যদিকে, মিক্সড ডাবলসের ব্রোঞ্জ ম্যাচ থেকে নাম তুলে নেন নোভাক ও তাঁর সঙ্গী নিনা স্টোজানোভিচ। না খেলেই ব্রোঞ্জ পেলেন তাঁদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশলে বার্টি ও জন পির্স।

- Advertisement -

আগের দিন সেমিফাইনালে জার্মানির আলেকজান্ডার জেরেভের বিরুদ্ধে হারের পর জোকার বলেন, ও নিজের যোগ্যতায় ম্যাচের ফল বদলেছে। ওর সার্ভগুলো বেশ ভালো হয়েছে। সেখানে আমি পিছিয়ে পড়েছি। এখন খুবই খারাপ লাগছে। আমি দেশের হয়ে অন্তত একটা পদক জিতে ফিরতে চাই। আশ করছি ব্রোঞ্জ ম্যাচে নতুনভাবে শুরু করতে পারব। কিন্তু বাস্তবে তা হল না। টোকিওর তীব্র গরমে ২ ঘণ্টা ৪৭ মিনিটের লড়াইয়ের পর শেষ হাসি হাসলেন স্পেনের পাবলো। তৃতীয় রাউন্ডে বিশ্বের দুনম্বর ড্যানিল মেদভেদেভের পর এক নম্বরে থাকা জোকারকেও হারালেন। পাশাপাশি ২০১৯ সালের ওয়ার্ল্ড টুর ফাইনালসের পর প্রথমবার টানা দুটি ম্যাচ হারলেন জকোভিচ। মিক্সড ডাবলস ম্যাচ থেকে নাম তোলার কারণ জানাননি আয়োজকরা।

অন্যদিকে, জকোভিচের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে উচ্ছ্বসিত ভারতীয় ফেন্সার সিএ ভবানী দেবী। দেশের প্রথম ফেন্সার হিসেবে অলিম্পিকে দ্বিতীয় রাউন্ড পর্যন্ত যাওয়া ভবানী টোকিওয় অনুশীলনের মাঝে ২০ গ্র‌্যান্ড স্লামের মালিকের সঙ্গে দেখা করেন। সেসময় তিনি এই সার্বিয়ানের কাছে চাপ মোকাবিলা নিয়ে পরামর্শ চেয়েছিলেন। জকোভিচ তাঁকে বলেন, প্রতিটি প্রতিযোগিতায় আত্মবিশ্বাস ও পরিশ্রমের ওপর ভরসা করতে হবে। নিজের উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, কেরিয়ারের শুরুর দিকে রজার ফেডেরার ও রাফায়েল নাদালের ছায়ায় ঢাকা থাকতেন। কিন্তু হাল না ছাড়ার জন্য এখন তিনি তাঁদের পর্যায়ে উঠে এসেছেন। পরবর্তীতে এই পরামর্শ মাথায় রাখবেন বলে ভবানী জানিয়েছেন।