কোচকে নেগেটিভ ফ্যাক্টর বলে তোপ কর্তার

টোকিও : গগনচুম্বী প্রত্যাশা থেকে ব্যর্থতার গভীর খাদে। টোকিও অলিম্পিকে ভারতীয় শুটিং দলের ছবি যেন তারই সমতল্য।

বিপর্যয় নেমে আসতেই প্রকাশ্যে চলে এল ভারতীয় শুটার টিমে কোচ-অ্যাথলিটকে ঘিরে ডামাডোলের ছবি। ব্যর্থতার কাটাছেঁড়ায় আসরে নামতে হল ভারতের জাতীয় রাইফেল অ্যাসোসিয়েশনকেও (এনআরএআই)। সংস্থার সভাপতি রানিন্দার সিং স্পষ্ট জানিয়েছেন, অলিম্পিকের আসরে ভারতীয় শুটিং দলকে ঘিরে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল সেই চাপের কাছে কুঁকড়ে গিয়েছেন ভারতের তরুণ শুটাররা। পাশাপাশি শুটিং ব্যর্থতায় নেগেটিভ ফ্যাক্টর হিসেবে তিনি আঙুল তুলেছেন কোচ জশপাল রানার দিকে।

- Advertisement -

যে শুটিংকে ঘিরে পদক জয়ে স্বপ্ন দেখেছিল গোটা দেশ, টোকিও-র আসরে তা হঠাৎ দুঃস্বপ্নে পরিণত হল কেন? হতাশ রানিন্দারের জবাব, সেরা প্রস্তুতির জন্য যা যা প্রয়োজন আমরা সবকিছু শুটারদের জন্য করেছি। পদক জয়ের লক্ষ্যকে মাথায় রেখে কমিটির সুপারিশ মেনে কাজ করা হয়েছে। দিনের শেষে এই ব্যর্থতার কোনও অজুহাত খাড়া করা চলে না। তা সত্ত্বেও বলব, দলের অধিকাংশের বয়স উনিশ। ওদের অভিজ্ঞতা কম। অলিম্পিকের মঞ্চে খেলার যে চাপ তার সামনে ওরা কুঁকড়ে গিয়েছে।

অতীতে বিশ্বকাপের মঞ্চে এই মনু ভাকের, সৌরভ চৌধুরির হাত ধরে সাফল্য পেয়েছে ভারতীয় শুটিং দল। সেখানে অলিম্পিকের আসরে এমন ছন্নছাড়া পারফরমেন্স কেন? এর নেপথ্যে কোচ জশপাল রানার সঙ্গে মনু ভাকের ও তাঁর কোচিং স্টাফদের মনোমালিন্যকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন রানিন্দার। এনআরএআইয়ের চিফ বলেন, ক্রোয়েশিয়া সফরের আগে শুটিং দলের কোচেদের মধ্যে দলাদলির খবর কানে এসেছিল। জশপালকে নিয়ে নানা সমস্যা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু অলিম্পিকের কথা মাথায় রেখে আমরা চেয়েছিলাম, জশপাল এবং মনু একটা পরিবারের মতো শান্তি বজায় রেখে একসঙ্গে কাজ করুক।

তবে সে ব্যবস্থা যে কাজে লাগেনি, সেটা স্পষ্ট রানিন্দারের কথায়। তাঁর বক্তব্য, উভয়ে মধ্যে (জশপাল ও মনু) কখনও মতের মিল ছিল না। কখনও মনু অভিযোগ জানাত, কখনও তার অভিভাবকরা। আবার আত্মপক্ষ সমর্থনে জশপালও অভিযোগ করত। আমি দুবার ঝামেলা মেটানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি।