আলাদা পতাকা এবং সংবিধানের দাবিতে নাগা সংগঠন

1184

নিউজ ডেস্ক: আলাদা পতাকা এবং সংবিধান চাই! নাগাল্যান্ড, মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম সঙ্গে অসমের বিস্তীর্ণ অঞ্চল নাগা স্বাধীনভূমি বা ‘নাগালিম’ হিসাবে গড়ে তুলতে চায় বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এনএসসিএন। আর এর জেরে নয়া মাথাব্যথার সৃষ্টি হয়েছে কেন্দ্র সরকারের।

জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালে কেন্দ্রের সঙ্গে শান্তিচুক্তির পর অস্ত্রবিরতি পালন করেছিল বিচ্ছিন্নতাবাদী নাগা সংগঠন এনএসসিএন। কিন্তু আবার তাঁরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। বর্তমানে পৃথক পতাকা ও সংবিধানের দাবি তুলছে এই সংগঠন। আর এই দুই দাবি পূরণ না হলে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনায় তাঁরা আর রাজি নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে সংগঠনের তরফে। নাগাল্যান্ডের দিমাপুরের কাছে হেবরনের হেডকোয়ার্টারের এনএসসিএন-আইএম-এর জয়েন্ট কাউন্সিল বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ২০১৫ সালে কেন্দ্র যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা এবার পালন করার জন্য জোর দেওয়া হবে। এনএসসিএন (আইএম) নেতা থুইঙ্গালাং মুইভারের দাবি, পাঁচ বছর আগে কেন্দ্রীয় সরকার তাঁদের পৃথক পতাকা ও সংবিধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি এখনও পালন করেনি কেন্দ্র।

- Advertisement -

অন্যদিকে, পৃথক পতাকা ও সংবিধানের দাবিতে সায় দিতে কোনওমতেই রাজি নয় কেন্দ্র বলে সূত্রের খবর। মোদি সরকারের সঙ্গে তাদের আলোচনা আটকে রয়েছে মূলত এই দুটি দাবির জন্য। ২০১৫ সালে শান্তি চুক্তির পর এই বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন অস্ত্রবিরতি পালন করেছিল। এর পরই উত্তর-পূর্ব ভারতে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। তবে আরও একবার এই সংগঠনের দাবি কেন্দ্রের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে। এই সংগঠনের সঙ্গে আলোচনার জন্য ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ডিরেক্টর অরবিন্দ কুমারকে নিয়োগ করেছিল কেন্দ্র। কিন্তু লাভ হয়নি।

উল্লেখ্য, লাদাখের প্যাংগং এলাকার পাশাপাশি অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায়ও চিনা আগ্রাসনের বাড়বাড়ন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। কয়েকদিন আগেই অরুণাচলের পাঁচজন যুবককে অপহরণ করেছিল লাল ফৌজ। আর এরই মধ্যে উত্তর-পূর্ব ভারতে এই সংগঠনের হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কেন্দ্রের কপালে।