শিলিগুড়ি শহরে বাড়ছে যৌনকর্মীদের আনাগোনা

141

রাতের অন্ধকারে হিলকার্ট রোডে যৌনকর্মীদের আনাগোনা বাড়ছে। পয়সা ফেললেই মিলছে অবাধ যৌনতার সুযোগ। ১০০ টাকা থেকে ১,০০০ টাকা দরে শহরের রাজপথ থেকে হোটেলের ঘরে মায়াবী রাতে দেদার বিক্রি হচ্ছে নারীশরীর। অবাধে রেড লাইট এলাকার বাইরে শহরের মধ্যেই ফ্লাইং যৌনকর্মী মেলায় গ্রাহকও বাড়ছে। এসবের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অপরাধ। দরদামে মন কষাকষিতে খুনের ঘটনাও ঘটছে। ছিনতাই তো হামেশার কাহিনী হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দিনের পর দিন শহরে এই ধরনের অপরাধ বাড়লেও প্রশাসন ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে রয়েছে। রাতের শহরের এই পরিদের কারবারে আলোকপাত করলেন রাহুল মজুমদার

কোথায় ব্যবসা
শিলিগুড়ির অনিল বিশ্বাস ভবনের কাছে একটি সিনেমাহলের সামনে অন্ধকার এলাকায়। জংশনের উলটোদিকে থাকা পুরোনো পাসপোর্ট অফিসের কাছে। তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনাস সংলগ্ন এলাকায়।

- Advertisement -

ব্যবসায় কারা
মূলত আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া বাড়ির গৃহবধূ থেকে শুরু করে কলগার্ল, নিষিদ্ধপল্লির কিছু যৌনকর্মী এবং বৃহন্নলারা এই এলাকায় ব্যবসা করছে।

 সমঝোতার হোটেল
৫০০ থেকে ১,০০০ টাকায় গ্রাহকের সঙ্গে সমঝোতা হতেই চলে যাচ্ছে প্রধাননগরের কোনও হোটেলে। হিলকার্ট রোডের ওই এলাকাতেই থাকছে বৃহন্নলারা। গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে শিলিগুড়ির তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনাসের পিছনে অন্ধকার রাস্তায় চলছে যৌনতা। অপরদিকে, হিলকার্ট রোডে সিপিএমের পার্টি অফিসের কাছেও যৌনপল্লির মহিলারা থাকছে। তারা গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে গ্রাহকের ঠিকানায় চলে যাচ্ছে।

বৃহন্নলাদের খপ্পর
যৌনকর্মী এবং বৃহন্নলাদের খপ্পরে পড়লে কারও যদি দরদামে না পোষায় তবে বলপূর্বক তাদের থেকে টাকা ছিনতাই করে নেওয়া হয়। একাধিকবার এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া দরদাম নিয়ে বিবাদ বাড়লে গ্রাহকরাও অনেক সময় যৌনকর্মীদের মারধর করে। সম্প্রতি হিলকার্ট রোডে পুরোনো পাসপোর্ট অফিসের সামনে এক যুবতীর মৃতদেহ পড়ে থাকছে দেখা গিয়েছে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখা গিয়েছে, এক নেশাসক্ত যুবকের সঙ্গে ঝামেলার জেরে খুন হতে হয়েছিল তাঁকে।

অফিসের পিছনে
আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া বাড়ির গৃহবধূরা ১০০ টাকা থেকে ২০০ টাকার মধ্যেই শরীর বিক্রি করছে। অন্ধকার এলাকাতে গ্রাহকের সঙ্গে কথা হচ্ছে। এরপর হিলকার্ট রোডের পুরোনো পাসপোর্ট অফিসের পিছনের রাস্তায় চলে অবাধ যৌনতা।

খদ্দের কারা
জংশন এবং বাস টার্মিনাসে বাইরে থেকে আসা কিছু ব্যক্তি, রিকশাচালক, নেশাসক্ত কিছু যুবক, ফ্লাইং গ্রাহক।