ফাইনাল যুদ্ধে স্বপ্নপূরণের লড়াই

দুবাই : রবিবাসরীয় মহারণে ট্রান্স-তাসমান দুই প্রতিবেশী অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড নামবে অধরা মাধুরির জন্য। যেখানে দুই ব্রিগেডের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ড্যারিল মিচেল ও মার্কাস স্টোয়নিস। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়ে মিচেলের লড়াকু ব্যাটিং তারিফ কুড়িয়েছে। পাক-বধে ওয়েডের সঙ্গে স্টোয়নিসের অবদান অনস্বীকার‌্য।

ডেভিড ওয়ার্নার ফর্মে ফেরায় অজি পারফরম্যান্সে ভয়ডরহীন ক্রিকেট। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে ডেথ ওভারে ম্যাথু ওয়েড-স্টোয়নিসদের ঝড় স্বস্তি দিচ্ছে। নিউজিল্যান্ডের শক্তি টিম গেম ও স্ট্র‌্যাটেজির নিখুঁত বাস্তবায়নের ক্ষমতা। তারকা নেই। নেই ইগো। প্রত্যাশার চাপও কম। কেভিন পিটারসন যে কারণে রবিবার এগিয়ে রাখছেন কিউয়িদের।

- Advertisement -

দুই দলের বোলিংই পেস নির্ভর। তবে স্পিন বৈচিত্র‌্যে মরুযুদ্ধে বাজিমাতের অস্ত্রও মজুদ।  চলতি বিশ্বকাপের পিচের যা হালহকিকত রবিবাসরীয় মহারণে স্পিনাররাও তুরুপের তাস হয়ে উঠতে পারেন। মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স, জোশ হ্যাজেলউডদের মাঝে তাই বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছেন অ্যাডাম জাম্পা।

দ্বিপাক্ষিক ডুয়েলে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে (৯-৫)। কিন্তু টি২০ বিশ্বকাপের একমাত্র সাক্ষাৎ ধরলে (২০১৬) প্রতিবেশি অজিদের টেক্কা দেয় ব্ল্যাক ক্যাপসরা। থাকছে ২০১৫-র ওডিআই বিশ্বকাপ ফাইনাল-হারের বদলার মানসিকতাও। আর বদলা এবং বদলের ম্যাচে উইলিয়ামসনের এই দলকে সমীহ না করে উপায় নেই। নিখুঁত স্ট্র‌্যাটেজি আর তার পারফেক্ট বাস্তবায়নই সাউদি-বোল্টদের সাফল্যের বুনিয়াদ।

নিউজিল্যান্ডের স্ট্র‌্যাটেজি অনেকটা ঘেঁটে দিয়েছে ডেভন কনওয়ের চোট। রাতারাতি টিম কম্বিনেশন, ব্যাটিং পরিকল্পনায় হেরফের। বিকল্প উইকেটকিপার-ব্যাটার টিম শিফার্টও যথেষ্ট দক্ষ। কিন্তু সুপার টুয়েলভে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের পর থেকে ডাগআউটে শিফার্ট। কনওয়ের চোটে কামব্যাক, তাও ফাইনালে। চাপ নিতে পারবেন তো?