দলীয় কার্যালয়েই পালটা শপথ বিজেপি বিধায়কদের, উপস্থিত নাড্ডা

198

কলকাতা: বুধবার রাজভবনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয়বার শপথ গ্রহণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক সেই সময়ই হেস্টিংসে বিজেপি নির্বাচনী দপ্তরে নবনির্বাচিত বিধায়কেরা শপথ নিলেন রাজ্যের দায়িত্বশীল বিরোধী দলের দায়িত্ব পালনের। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ওই শপথ বাক্য পাঠ করান। সঙ্গে ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা সহ দলের সাংসদ ও নির্বাচনে পরাজিত বেশকিছু নেতাও। শপথে যে বিষয় তুলে ধরা হয় তা হল, রাজ্যের মানুষ দায়িত্বশীল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করার সুযোগ দিয়েছেন। সেই দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা হবে। পাশাপাশি বিআর আম্বেদকর প্রণীত সংবিধানের ধারা গুলি যাতে সুষ্ঠুভাবে মেনে চলা হয় তাও দেখা হবে। বিজেপির নেতাকর্মীদের উপর নির্বাচনোত্তর যে হামলা হচ্ছে তার জন্যই আজ ধর্নার ডাক দিয়েছিল বিজেপি। তবে পুলিশের অনুমতি না নেওয়ার কারনে মঙ্গলবার রাত্রি সাড়ে এগারোটা নাগাদ মধ্য কলকাতার মুরলীধর লেনের ধর্না মঞ্চ ভেঙ্গে দেওয়া হয়। এরপরই বিজেপির নেতারা স্থির করেন যে তারা খিদিরপুর সংলগ্ন হেস্টিংসে তাদের নির্বাচনী দপ্তরে ধর্নায় বসবেন। সেখানেই দলের সব নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হবে। সেই অনুসারে দলের সব নির্বাচিত বিধায়করা সেখানে পৌঁছে যান ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা, সাংসদ অর্জুন সিং, লকেট চট্টোপাধ্যায় সহ দলের কিছু নেতাদের নিয়ে ছুটে যান উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দলে তৃণমূল কর্মীদের মৃত শোভারানী মণ্ডলের বাড়িতে। অভিযোগ, হামলাকারীদের হাত থেকে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি আক্রমণের শিকার হন তিনি।

- Advertisement -

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা সেই মহিলার ছেলেদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি দলীয় সভাপতিকে পাশে পেয়ে জানান, কিভাবে তারা আতঙ্কের মধ্যে দিন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। নাড্ডা তাদের মনে সাহস যুগিয়ে নিজের ফোন নাম্বার তাদের হাতে তুলে দিয়ে বলেন, ‘ঘাবড়াবার কিছু নেই কোনও বিপদে পড়লেই তারা যেন তাকে সরাসরি ফোন করে তাকে অবহিত করেন। তিনি যা ব্যবস্থা নেওয়ার তা নেবেন।’