তিস্তা নদীর বাঁধ পরিদর্শন করলেন আধিকারিকরা

হলদিবাড়ি: তিস্তানদীর ওপর নির্মীয়মান জয়ী সেতু ও সংযোগকারী সড়কের পাশাপাশি সড়ক বাঁচাতে আড়বাঁধ তৈরি করায় অনেকটাই বাঁধা প্রাপ্ত হবে নদীর জল প্রবাহ। এর জেরে চাপ বাড়বে হলদিবাড়ি ব্লকের দিকে থাকা তিস্তা নদীর বাঁধটিতে।

এমন আশঙ্কা চিন্তায় ফেলেছে সেচ দপ্তর থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্তাদের। তাই ভারী বর্ষণ শুরু হতেই তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার জন প্রতিনিধি, সেচ দপ্তর ও প্রশাসনিক কর্তাদের একটি দল বাঁধটি পরিদর্শন করেন।

- Advertisement -

দলে ছিলেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক অর্ঘ্য রায়প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নূপুর বর্মন, বক্সিগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান স্বর্ণলতা মল্লিক, উপপ্রধান স্বপন রায়, জলপাইগুড়ি সেচ দপ্তরের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার শুভ্র সরকার, পঞ্চায়েত সমিতির ডেপুটি সচিব ত্রিলোচণ বর্মন প্রমুখ।

শুভ্র সরকার বলেন, এদিন বক্সিগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিবিগঞ্জ থেকে ঝাড় সিংহাসন পর্যন্ত তিস্তা নদীর বাঁধটি পরিদর্শন করা হয়। বর্ষা শুরুতে দুইদিনের অতি বর্ষণে কয়েক জায়গায় রেনকাট তৈরি হয়েছে। তা দ্রুতই সাড়াই করা হবে।

মেখলিগঞ্জের বিধায়ক বলেন, হলদিবাড়ির দিকে থাকা বাঁধটি ১৯৭৩ সালে তৈরি করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন হওয়ায় এটি বর্তমানে অনেকটাই দুর্বল হয়েছে। তাই বাঁধটি দ্রুত মেরামতি ও উচ্চতা বৃদ্ধির প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণে হলদিবাড়ি দিকে থাকা এই বাঁধটিকে সাত ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাঁধটি মেরামতি ও বোল্ডার সোলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে।