বড়দিনে কচিকাঁচাদের মাস্ক ও চকোলেট দিলেন ভোম্বল দাদু

193

গৌতম সরকার, চ্যাংরাবান্ধা: প্রতি বছরই ভোম্বল দাদুর কাছ থেকে চকোলেট এবং কেক পাওয়ার আশায় অপেক্ষা করেন কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তের বাসিন্দারা। এবারও তার ব্যতিক্রম হলনা। বড়দিন উপলক্ষ্যে শুক্রবার হিতাংশু বসু ওরফে ভোম্বল দাদু উপস্থিত হয়েছিলেন চ্যাংরাবান্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায়।

এবার অবশ্য করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কচিকাঁচাদের মধ্যে বিভিন্ন উপহার তুলে দেওয়ার পাশাপাশি মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিলি করলেন তিনি। তবুও এবছর মন ভারাক্রান্ত। কারণ করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ রয়েছে সীমান্তের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। তাই এবছর পড়শি দেশের মানুষের দেখা মেলেনি। তাই এবছর তাঁদের মিষ্টিমুখও করানো সম্ভব হয়নি।

- Advertisement -

বড়দিনে কচিকাঁচাদের মাস্ক ও চকোলেট দিলেন ভোম্বল দাদু| Uttarbanga Sambad | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Live Breaking News North Bengal | COVID-19 Latest Report From Northbengal West Bengal India

চ্যাংরাবান্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ পাড়া এলাকার বাসিন্দা হিতাংশু বসু। এলাকার বেশিরভাগ মানুষের কাছেই তিনি ভোম্বল দাদু কিংবা ভোম্বল কাকু নামে পরিচিত। প্রতি বছরই সীমান্তের এই এলাকায় তিনি বড়দিনের উৎসব ধুমধাম করে পালন করে আসছেন। যীশুখ্রীষ্টের জন্মদিন উপলক্ষ্যে নিজের বাড়িকেও একদিন আগেই আলোয় সাজিয়ে তোলেন তিনি। বড়দিনে চ্যাংরাবান্ধা বাজার, বাসস্ট্যান্ড, দক্ষিণ পাড়া, পশ্চিমপাড়া, ভোটবাড়ি সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শিশু সহ মানুষের হাতে বড়দিনের উপহার তুলে দেন। এদিন একদল ক্ষুদেকে সঙ্গে নিয়ে সীমান্তের বিভিন্ন গ্রামে চষে বেড়ালেন তিনি। যা এই এলাকায় নজির বলেই অনেকে মনে করেন। দীর্ঘ বত্রিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি এই এলাকায় বড়দিনের উৎসব পালন করে আসছেন। হিতাংশুবাবু অবশ্য জানান, সর্বত্র শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতেই তিনি প্রতিবছর এই দিনে শান্তাক্লজ সেজে এলাকা ঘুরে বেড়ান। এরমধ্যে আলাদা অনুভূতি রয়েছে। সারাজীবন এই দিনটি এভাবেই পালন করে যাওয়ার ইচ্ছা বলেও জানিয়েছেন তিনি।