লক্ষ্মী পুজো উপলক্ষে গাজোলের হাটে মাস্ক হীন ক্রেতাদের ভিড়

323

গাজোল: শুক্রবার কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো। কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোকে কেন্দ্র করে গাজোলের হাটে মাস্ক হীন ক্রেতাদের ভিড় ফল বাজারে। সরকারি বিধি নিয়ম অমান্য করে গাজোল বাজারে অনেকেই মুখে মাস্ক না লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। লক্ষ্মী পুজো উপলক্ষে কেউ এসেছেন প্রতিমা কিনতে কেউবা ফল কিনতে।

অধিকাংশ লোকই মাস্ক ব্যবহার করছেন না। গাজোল হাটে এমনই দৃশ্য নজরে পড়ল কলা বাজারে। লক্ষ্মী পুজো উপলক্ষে কলা কিনতে কলার দোকান গুলোতে উপচে পড়া ভিড়। অধিকাংশ ক্রেতাদের মুখে মাস্ক নেই, বিক্রেতারাও মুখে ব্যবহার করছেন না মাস্ক। প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রমরমিয়ে চলছে বাজার ঘাট। লক্ষ্মী দেবীকে সন্তুষ্ট করতে ক্রেতারা ভিড় করেছেন ফলের দোকানে। ফলের অতিরিক্ত মূল্য হলেও কিনতে পিছু হটছেন না ক্রেতারা।

- Advertisement -

যদিও প্রতিমা বিক্রিতে ঘাটতি রয়েছে বলে জানালেন প্রতিমা বিক্রেতারা। লকডাউন এর জন্য রোজগার কমেছে অনেকের। তাই অতিরিক্ত দাম দিয়ে লক্ষ্মী প্রতিমা কিনছেন না অনেক ক্রেতারা। প্রতিমা বিক্রেতা বিপ্লব পাল ও লীলা পাল জানান, প্রতিবছরের মত এবছরও ৫০০ লক্ষী প্রতিমা বানানো হয়েছে। ক্রেতাদের ভিড় রয়েছে দোকানে। কিন্তু সঠিক মূল্য দিতে চাইছেন না প্রতিমার। বাধ্য হয়ে ২৫০ টাকা দামের প্রতিমাগুলিকে ১৫০ বা ২০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

১৫০ টাকা মূল্যের প্রতিমা গুলিকে ১০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। কিছু করার নেই লোকজন প্রতিমা কিনতে এসে লকডাউনে রোজগার নেই বলে প্রতিমার মূল্য কম দিতে চাইছেন। অন্যদিকে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পুজোর ফল। আপেল ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকা। ভাল শসা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কিলো। ভালো কলা প্রতি থোকা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত, ন্যাশপাতি ৮০ টাকা, পেয়ারা ৮০ টাকা, লাল আলু, কেশর বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কিলো দরে। বেদানা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কিলো। মৌসুমী ১০০ টাকা কিলো। যদিও ফলের দাম বেশি হলেও বেশি ফল কিনছেন না অনেকেই। শুধু কোনও রকমে পুজো করার জন্যই অল্প ফল কিনছেন ক্রেতারা। যে হারে গাজোল হাটে আজ লক্ষ্মী পুজোর বাজার করতে মাস্ক হীন লোকজন বেরিয়েছেন তাতে আগামী দিনে করোনা সংক্রমন বাড়তে পারে বলে অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞরা।