ফের করোনা আক্রান্তের হদিশ ধূপগুড়িতে

258

ধূপগুড়ি: ফের করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলল ধূপগুড়ি ব্লকের সাকোয়াঝোড়া-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। রবিবার সংক্রামিতের বাড়ি সংলগ্ন এলাকা কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষনা করে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, শনিবার রাতে ধূপগুড়ি ব্লকের গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলতেই রবিবার সেখানে কনটেনমেন্ট জোন করা হয়েছে। রবিবার সকালে গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ধর্ম নারায়ন রায় ও অন্য কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছে ব্যারিকেড করে দিয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আক্রান্তের বাড়ি সহ ৮টি বাড়িকে কনটেনমেন্ট জোনের আওতায় আনা হয়েছে।

- Advertisement -

প্রধান বলেন, কনটেনমেন্ট জোন থাকলেও কোনো বাফার জোন থাকছে না এবং কনটেনমেন্ট জোনে থাকা পরিবারগুলির নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী আনা নেওয়া করার জন্যে ২ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হবে। রবিবার ব্লক প্রশাসনের দপ্তরেই কয়েকজন প্রধান সহ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন ধূপগুড়ির বিডিও শঙখদীপ দাস। তিনি বলেন, সাকোয়াঝোড়া-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একজনের শরীরে পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে।

সাকোয়াঝোড়া-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের করোনা আক্রান্ত যুবক বলেন, ১৫ দিন আগে পুনে থেকে ফিরেছেন তিনি। বীরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে পরীক্ষা করানোর পর শনিবার রাতে রিপোর্ট হাতে এসে পৌঁছায়। রবিবারও সে বাড়িতেই আলাদা ঘরেই থেকেছে। তার পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবেই ভিনরাজ্য থেকে ফিরে বীরপাড়াতে গিয়ে পরীক্ষা করিয়েছিলেন তিনি।

গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের আক্রান্ত ব্যক্তি শিলিগুড়িতে একটি বেসরকারি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করেন। শিলিগুড়িতে থাকাকালীন তাঁর জ্বর হয়েছিল। জ্বর কমতেই মাথা ব্যাথা সহ অন্যান্য বেশ কিছু সমস্যা ছিল। গত কয়েকদিন আগে বাড়িতে ফিরে আলাদা ঘরে ছিলেন। ধূপগুড়ি হাসপাতালে এসে গত বুধবার লালার নমুনা পরীক্ষার জন্যে দিয়েছেন এবং শনিবার তার পজিটিভ ধরা পড়েছে। তাকে অবশ্য ইতিমধ্যেই কোভিড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ধূপগুড়ি ব্লকজুড়ে ইতিমধ্যেই একের পর এক সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই এনিয়ে যথেষ্ট আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তবে ব্লক প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তর মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।