নেশামুক্তির পথ দেখাচ্ছে এককালের মাদকাসক্তরাই

456

রায়গঞ্জ: কারও ছিল হেরোইনের নেশা, আবার কারোর ট্যাবলেট, ড্রেনড্রাউট না হলে চলতনা। প্রতিদিন নেশার পেছনেই ব্যয় প্রচুর টাকা। নেশার বিপুল খরচ জোগাতে শেষমেশ চুরি, ছিনতাইয়ের পথ বেছে নিয়েছিল অনেকে। শেষ পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের চেষ্টায় আজ অনেকেই মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন। এরকমই ১০-১২ জন যুবককে দেখা গেল রায়গঞ্জের একটি বেসরকারি নেশামুক্তি কেন্দ্রে নেশাগ্রস্তদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টায় রত।

গোপাল মুখোপাধ্যায়, সুব্রত দাস, ভাস্কর চক্রবর্তী, রাজু সরকার সহ আরও অনেকে মারণ নেশার কবল থেকে ফিরে এসেছেন। তারা জানান, তাদের সামাজিক সম্মান বলে প্রায় কিছুই অবশিষ্ট ছিল না। তবে, এখন আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে উঠেছেন, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন। যারা নেশা করছে এখন তাদের উদ্দেশ্যে এই বার্তা, ওই পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুন, এখানেই অনেক আনন্দ।
রায়গঞ্জ শহর ও শহর লাগোয়া গ্রামগুলিতে মাদকাসক্তদের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। অন্যদিকে গড়ে উঠছে একাধিক নেশা মুক্তি কেন্দ্র। একটি নেশামুক্তি কেন্দ্রে প্রায় ৭০ জনের চিকিৎসা চলছে। একটি নেশামুক্তি কেন্দ্রের কর্ণধার প্রসেঞ্জিৎ সেন বলেন, ‘একবার কেউ মাদকে আসক্ত হলে তাকে ফিরিয়ে আনা খুব কঠিন। ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। অভিভাবকেরা যোগাযোগ করেন। অনেককে তাঁরা বাড়িতে রেখেই তাদের চিকিৎসা দেন। তবে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা সহজ নয়।’

- Advertisement -