দাপট বেড়েছে অনলাইন কেনাকাটার, সংকটে হাট ব্যবসায়ীরা

292

মালবাজার: পুজোর মুখে মাল শহরের সাপ্তাহিক হাটে চরম সংকটে পোশাক বিক্রেতারা। গতবছরও করোনার প্রকোপ সামলাতে হয়েছিল। এবারও সেই ধারা অব্যাহত। অন্যদিকে, মরার উপর খাড়ার ঘায়ের মতো অনলাইন ব্যবসা রমরমা। দুর্গাপুজোর আগে আর পাঁচটি রবিবাসরীয় পুজোর হাট আছে। শেষ পর্বে কি এই হাট জমবে? তা ভেবেই কপালে চিন্তার ভাঁজ ব্যবসায়ীদের। লাভের আশায় চাতক পাখির মতো চেয়ে রয়েছে প্রত্যেকেই।

প্রতি রবিবার মাল শহরে সাপ্তাহিক হাট বসে। এটা বহু পুরোনো রেওয়াজ। মূলত চা বাগান এবং গ্রামাঞ্চল থেকে আসা ক্রেতাদের উপরেই বিক্রেতারা নির্ভর করেন। গোটা বছর ব্যবসা করলেও পুজোর আগের হাটগুলি ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে বড় সম্বল। গতবছর করোনার দাপটে বহুদিন হাট বাজার বন্ধ ছিল। এবারও ওই একই পরিস্থিতি। তবে চা বাগান, গ্রামাঞ্চল সহ প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে অনলাইনের ব্যবসা রমরমা ফলে হাটের ব্যবসা চরম সংকটে উঠেছে। ভাঁড়ে মা ভবানী অবস্থা সকল ব্যবসায়ীদের।

- Advertisement -

সাপ্তাহিক হাটের ব্যবসায়ী উৎপল সাহা বলেন, ‘অনলাইন ব্যবসা আমাদের সংকট চরমে তুলেছে। এখন চা বাগানের অনেক ক্রেতারাই অনলাইনে কেনাকাটায় ঝুঁকেছেন। ধার কিভাবে শোধ করব তাই ভেবে কুল পাচ্ছি না।‘পাইকারী ব্যবসায়ী গোপাল সাহা বলেন, ‘এটা অস্বীকার করলে চলবে না গত বছরের তুলনায় এবারের সমস্যা অনেকটাই বেশি। তবু হতাশার মধ্যেও আশার আলো খোঁজেন অনেক ব্যবসায়ী।‘ ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক কমল দত্ত বলেন, ‘আমরা পুজোর আগে শেষ পনেরো দিনের অপেক্ষায় রয়েছি। চা বাগানগুলোতে বোনাস হবে। আমরা আশা করছি পুজোর প্রাক লগ্নে ব্যবসা জমবে।‘ চা বাগানের বাসিন্দারা জানান, অনলাইনে অর্ডার দিলে বাগানেও সামগ্রী পৌঁছে যাচ্ছে। তাই এখন আর হাটে যাওয়া হয় না।