আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মহকুমা শাসকের দারস্থ বিরোধীরা

87

হেমতাবাদ: আদর্শ আচরণবিধি চালু হওয়ার প্রায় ১৫ দিন হয়ে এল এরপরেও হেমতাবাদ ব্লকের গ্রামীণ হাসপাতাল ও বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকায় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি সহ বেশকিছু সরকারি বিজ্ঞপ্তি এখনও জ্বলজ্বল করছে। আর এই নিয়ে বুধবার জেলা প্রশাসন ও ব্লক প্রশাসনকে তোপ দাগল বিরোধীরা। তাদের দাবি নির্বাচন আচরণবিধি লাগু হওয়া সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর ফ্লেক্স  রয়ে গিয়েছে হেমতাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রজুড়ে। বিরোধীদের এও দাবি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেমতাবাদ বিধানসভা এলাকায় গ্রামীণ হাসপাতাল সহ পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি সহ সরকারি বিজ্ঞপ্তি খুলে ফেলতে হবে। নইলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবে তাঁরা। এছাড়াও মিছিল-মিটিংয়ের অনুমতি দেওয়া নিয়ে নির্বাচন দপ্তরের তরফে পক্ষপাতিত্ব যেন না করা হয় সেই দাবিও তোলেন বিরোধীরা।

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নির্বাচনী আচরণবিধি থেকে শুরু করে মনোনয়ন প্রত্যাহার নির্বাচনে প্রার্থীদের খরচ সংক্রান্ত তথ্য সুবিধা সহ নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়গুলি প্রশাসনের তরফে এদিন জেলা প্রশাসনিক ভবনের বৈঠকে প্রতিনিধিদের জানানো হবে। দিন ১৫ আগে ভোটের নির্ঘণ্ট ও ঘোষিত হয়েছে। উত্তর দিনাজপুর জেলায় এক দফায় ভোট হবে। নির্ঘণ্ট প্রকাশের সময় থেকেই লাগু হয়েছে আদর্শ আচরণবিধি। কিন্তু তার ১৫ দিন পরেও গ্রামীণ হাসপাতাল সহ পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি সহ নানান বিজ্ঞপ্তি ও হোডিং থাকায় তোপ দাগলেন বিরোধী দলগুলি।

- Advertisement -

এদিন সিপিএমের জেলা সম্পাদক অপূর্ব পাল বলেন, ‘জেলা প্রশাসন নির্বাচন আচরণবিধি কার্যকর করেছে। অথচ গ্রামীণ হাসপাতাল বং গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা গুলিতে সরকারি বিজ্ঞপ্তি রয়ে গিয়েছে। আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব সরাতে বলেছি।’ রায়গঞ্জের বিধায়ক তথা কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচার এরজন্য মিছিল-মিটিংয়ের অনুমতি দেওয়া নিয়ে ওটাতে পক্ষপাতিত্ব না হয় সেই দাবি জানিয়েছি।’ জেলাপ্রশাসনের একথা বলেন, ‘সরকারি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন দলের যে সমস্ত ফেস্টুন ব্যানার রয়েছে তা সরানোর কাজ এদিন থেকে শুরু হয়েছে।’