স্বনির্ভর গোষ্ঠীর আয়ের নয়া উৎস ‘জৈব সার’

90

চোপড়া: পরিবেশ বাঁচাতে যেমন গাছের ভূমিকা অপরিসীম। একইভাবে গাছ বা ফসলের জন্য জৈব সারের প্রয়োজন অপরিহার্য। জমিতে জৈব সার ব্যবহারের উপর জোর দিতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। চোপড়ায় অবস্থিত উত্তর দিনাজপুর কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের অধীনে এলাকার বেশ কিছু স্বনির্ভর দল ও ফারমার্স ক্লাবকে ইতিমধ্যে জৈব সার তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত অনেকেই এখন নিজেদের বাড়িতে জৈব সার তৈরির কাজ শুরু করেছেন। নিজেদের জমিতে এই সার ব্যবহার করার পাশাপাশি উৎপাদিত জৈব সার বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করছেন অনেকেই। কেঁচো সার বা ভার্মি কম্পোস্ট এলাকার পরিচিত জৈব সার হিসেবে চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। এই মুহূর্তে চোপড়া ব্লকের সোনাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে জৈব সার তৈরির কাজ চলছে জোরকদমে।

- Advertisement -

কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞদের মতে, জমিতে উর্বরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গাছের খাদ্য উপাদানের উৎস হিসেবে জৈব সার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উত্তর দিনাজপুর কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ ডঃ অঞ্জলি শর্মা বলেন, ‘চোপড়া সহ উত্তর দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় জৈব সারের চাহিদা বেড়েছে। এতে অনেক স্বনির্ভর দলের আয়ের উৎসও বেড়েছে।‘