বাইরে বেশি ঘোরাঘুরির কারণেই করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন ৩০-৪৫ বছর বয়সীরা: ওএসডি

1075

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ সংবাদের ‘মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন করোনা মোকাবিলায় উত্তরবঙ্গের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওএসডি) ডাঃ সুশান্ত রায়। বর্তমানে উত্তরবঙ্গের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিজের মতামত ভাগ করে নিয়েছেন সুশান্তবাবু। পাশাপাশি সংক্রমণ রুখতে তিনি বেশকিছু পরামর্শও দিয়েছেন।

সিটি ভ্যালু (সাইকেল থ্রেসোল্ড)-র ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ওএসডি। পুজোর সময় যেভাবে মানুষ বাজারে ভিড় করছেন তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সুশান্তবাবু। ‘এবছর পুজো হোক, উৎসবটা আগামী বছরের জন্য তোলা থাকুক’, করোনা সংক্রমণ রুখতে এমনই পরামর্শ দিয়েছেন সুশান্তবাবু। তিনি এদিন বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত করোনার কোনও চিকিৎসা নেই। তাই আমাদের মাস্ক অবশ্যই পড়তে হবে। হাত স্যানিটাইজ করতে হবে। বজায় রাখতে হবে শারীরিক দূরত্ব।’ পাশাপাশি সকলের কাছে এবার প্যান্ডেল হপিং না করার আবেদন জানিয়েছেন সুশান্তবাবু।

- Advertisement -

শিলিগুড়িতে বিভিন্ন বাজারে পুজোর কেনাকাটা করতে মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে। বাজারে অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না, এমনকি মাস্ক পর্যন্ত পড়ছেন না। এসব রুখতে প্রশাসন কেন কোনও পদক্ষেপ করছে না? এই প্রশ্নের উত্তরে সুশান্তবাবু জানান, এবিষয়ে দার্জিলিং জেলার আধিকারিকদের চিঠি দেওয়া হয়েছে, মিটিংও হয়েছে। কিন্তু তারপরও কেন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, সেটা তিনি বুঝতে পারছেন না।

৩০ থেকে ৪৫ বছর বয়সী অনেকেই করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন। এবিষয়ে সুশান্তবাবু জানান, ৩০ থেকে ৪৫ বছর বয়সীরাই সবথেকে বেশি বাইরে ঘোরাফেরা করছেন। যার ফলে ওই বয়সের লোকজন বেশি সংখ্যায় সংক্রামিত হচ্ছেন, মৃত্যুও হচ্ছে। অনেকেই যেভাবে স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে মাস্ক ছাড়া বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সেটা নিয়ে চিন্তিত সুশান্তবাবু।

পুজোর পর রাজ্যে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য সরকারিভাবে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে? এ প্রশ্নের উত্তরে ওএসডি জানান, উত্তরবঙ্গে ১৪টি কোভিড হাসপাতাল রয়েছে। কোভিড হাসপাতালে বেড রয়েছে ১৬৭৪টি। প্রয়োজনে কোভিড হাসপাতাল ও সেগুলিতে বেডের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হতে পারে।